logo
  • ঢাকা রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

তৃতীয় বেঞ্চের প্রতি খালেদার আইনজীবীদের অনাস্থা

অনলাইন ডেস্ক
|  ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৪:৫৪ | আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৩৬
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিট শুনানির জন্য গঠিত তৃতীয় বেঞ্চের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছেন তার আইনজীবীরা। এর আগে একটি বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে আদেশ দেন, অপর বিচারপতি অবৈধ বলে রায় দেন। পরে এ রিট শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চে পাঠান প্রধান বিচারপতি।

আজ দুপুরের (বৃহস্পতিবার)বিচারপতি জে বি এম হাসানের নেতৃত্বাধীন একক বেঞ্চে শুনানিতে অংশ নিয়ে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা এ বেঞ্চের প্রতি অনাস্থা জানান। তখন বিচারপতি লিখিত দেয়ার জন্য বললে, তারা সময় আবেদন করেন। আগামী সোমবার শুনানির জন্য তা ঠিক করেন আদালত।

এসময় দুপক্ষের আইনজীবীদের বাকবিতণ্ডা হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়নপত্র ফিরে পেতে খালেদা জিয়ার করা রিটের বিভক্ত আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও মো. ইকবাল কবিরের দ্বৈত বেঞ্চ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ভোটের ব্যাপারে এ বিভক্ত আদেশ আসে। পরে হাইকোর্টের দেয়া দ্বৈত আদেশ বিস্তারিত লেখার জন্য নথি ফেরত পাঠানো হয়। বিস্তারিত লিখে আদেশ জমা দেয়ার পর প্রধান বিচারপতি নতুন করে এ বিষয়ে শুনানির জন্য বেঞ্চ গঠন করে দেন।

এর মধ্যে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন যে রায় দিয়েছিল, তা স্থগিত ঘোষণা করেন এবং কেন এই আদেশ অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সেই মর্মে রুল জারি করেন। পাশাপাশি খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে তাকে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণার আদেশ আসে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতির কাছে থেকে।

জ্যেষ্ঠ বিচারপতির আদেশের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন বেঞ্চের অপর বিচারপতি মো. ইকবাল কবির। তিনি খালেদা জিয়ার আদেশ খারিজ করে দেয়ার মত দেন।

এর ফলে খালেদা জিয়া ভোটে ফিরতে পারবেন কি না, তা আপাতত অমীমাংসিতই রয়ে যায়। নিয়ম অনুসারে, বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে যায়। প্রধান বিচারপতি এ বিষয়ে শুনানির জন্য তৃতীয় একটি বেঞ্চ গঠন করে দেন। সেই বেঞ্চই এ ব্যাপারে শুনানি হয়।

আরও পড়ুন :

জেএইচ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আইন-বিচার এর সর্বশেষ
  • আইন-বিচার এর পাঠক প্রিয়
---SELECT id,hl1,hl2,hl3,rpt,short_hl2,cat_id,parent_cat_id,prefix_keyword,sum,dtl,hl_color,tmp_photo,video_dis,alt_tag,IFNULL(hierarchy, 99) AS hierarchy,entry_time FROM news AS news LEFT JOIN mn_hierarchy AS mnh ON mnh.news_id = news.id AND mnh.mid = 9 WHERE cat_id LIKE "%#9#%" AND publish = 1 GROUP BY id ORDER BY hierarchy ASC, entry_time DESC LIMIT 2
---SELECT id,hl1,hl2,hl3,rpt,short_hl2,cat_id,parent_cat_id,prefix_keyword,sum,dtl,hl_color,tmp_photo,video_dis,alt_tag,IFNULL(hierarchy, 99) AS hierarchy,entry_time FROM news AS news LEFT JOIN mn_hierarchy AS mnh ON mnh.news_id = news.id AND mnh.mid = 8 WHERE cat_id LIKE "%#8#%" AND publish = 1 GROUP BY id ORDER BY hierarchy ASC, entry_time DESC LIMIT 2
---SELECT id,hl1,hl2,hl3,rpt,short_hl2,cat_id,parent_cat_id,prefix_keyword,sum,dtl,hl_color,tmp_photo,video_dis,alt_tag,IFNULL(hierarchy, 99) AS hierarchy,entry_time FROM news AS news LEFT JOIN mn_hierarchy AS mnh ON mnh.news_id = news.id AND mnh.mid = 4 WHERE cat_id LIKE "%#4#%" AND publish = 1 GROUP BY id ORDER BY hierarchy ASC, entry_time DESC LIMIT 2