Mir cement
logo
  • ঢাকা শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

ফেসবুকে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চাওয়ায় আইনজীবীকে তলব

I will summon the lawyer for demanding the resignation of the Chief Justice on Facebook
হাইকোর্ট।। ফাইল ছবি

প্রাণঘাতি করোনার সংক্রমণের সময়ে ঘরে বসে আদালত পরিচালনার কারণে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার মো. আশরাফুল ইসলাম আশরাফের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন আপিল বিভাগ। এজন্য আগামী ৮ আগস্ট ওই আইনজীবীকে তলব করেছেন আদালত। পাশাপাশি এ সময়ের মধ্যে তিনি দেশের কোনও আদালতে প্রাকটিস করতে পারবেন না বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ওই আইনজীবীর ফেসবুক পোস্ট আপিল বিভাগের নজরে আনার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ৬ বিচারপতির আপিল বেঞ্চের এসব আদেশ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল আদালতকে বলেন, ‘একটি বিষয় আপনাদের নজরে আনতে চাই। একজন আইনজীবী প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।’ এরপর অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো.আশরাফুল ইসলাম আশরাফের ফেসবুক পোস্ট পড়ে শোনান।

এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আমি যত সিদ্ধান্ত নেই তা একা নেই না। সিনিয়র জাজদের সাথে আলাপ করে নেই। গতবার প্রথম যখন কোর্ট খুলেছি (করোনার মধ্যে) তখন আমাকে অকথ্য ভাষায়...। আর সব সময় বার সভাপতি, সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এসময় আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা আইনজীবীর ওই পোস্টের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

বেঞ্চের অপর বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এসময় বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল, আমাদের (বিচারপতিদের) ফেসবুক পরিচালনার জন্য নীতিমালা আছে। দেখেন, আপনাদের আইজীবীদের এরকম নীতিমালা করা যায় কিনা। আর আমাদের ছুটি (অবকাশকালীন) নিয়ে লেখা হয়। কিন্তু আমরা তো বছরের শুরুতে এটা নির্ধারণ করি। ফুল কোর্ট সভা করে এটা করা হয়। আর এখন কমিয়ে বছরে ৬০ দিনের মত ছুটি। আর আমরা ছুটিতে বসে থাকি না, তখনও কাজ করি, আমরাও মানুষ।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘গত সেপ্টেম্বরে (পূর্ব নির্ধারিত অবকাশকালীন ছুটি সত্ত্বেও) আমরা ছুটি নেইনি। সরকার লকডাউনে কোর্ট বন্ধ রাখতে চেয়েছিল। আমি হস্তক্ষেপ করি যে, কোর্ট বন্ধ থাকতে পারে না।’

এরপর আদালত ফেসবুকে পোস্টদাতা আইনজীবীকে তলবের আদেশ দেন।

কেএফ

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS