logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ৩০ চৈত্র ১৪২৭

১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরা জব্দে অভিযোগপত্র দাখিল

১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরা জব্দ: আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

অবৈধভাবে স্বর্ণালঙ্কার মজুদের অভিযোগ করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে অভিযাগ করা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে লেখা শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে দীর্ঘদিন যাবৎ আপন জুয়েলার্সের মালিক স্বর্ণালঙ্কার মজুদ করে রাখেন।

আজ মঙ্গলবার (০২ মার্চ) আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন রমনা থানায় মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট সাধারণ নিবন্ধন (জিআর) শাখায় এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

প্রসঙ্গত, অবৈধভাবে আপন জুয়েলার্সে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর। রাজধানীতে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শাখায় ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট একযোগে স্বর্ণ ও হীরা জব্দ। বৈধ কাগজপত্র আপন জুয়েলার্সের মালিক দেখাতে না পারায় তা জব্দের সিদ্ধান্ত নেয় শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ। মূল্যবান ধাতু কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখার দায়ে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে পাঁচটি মামলা করে শুল্ক গোয়েন্দা। তার মধ্যে গুলশান থানায় দুটি, ধানমন্ডি থানায় একটি, উত্তরা থানায় একটি ও রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

শুল্ক গোয়েন্দারা আপন জুয়েলার্সের গুলশান ডিসিসি মার্কেট, গুলশান এভিনিউ, উত্তরা, সীমান্ত স্কয়ার ও মৌচাকের ৫টি শোরুমে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও ৪২৭ গ্রাম হীরা জব্দ করে। এসব স্বর্ণ ও হীরার ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষ। পরে আইনানুগভাবে প্রতিষ্ঠানের জিম্মায় দেওয়া হয়। এরপর আত্মপক্ষ সমর্থনে আপন জুয়েলার্স কর্তৃপক্ষকে ৩ বার শুনানির সুযোগ দিলেও তারা এসব সোনা-হীরার কোনও প্রকার বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে আপন জুয়েলার্সের মালিকপক্ষের দেওয়া ১৮২ জনের তালিকার মধ্যে ৮৫ জন প্রকৃত গ্রাহককে মেরামতের জন্য জমা রাখা প্রায় ২.৩ কেজি স্বর্ণালঙ্কার অক্ষত অবস্থায় ফেরত দেওয়া হয়।

এফএ

RTV Drama
RTVPLUS