logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬

আগরতলায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘর ও শহিদ মিনার স্থাপনে কাজ করবে বাংলাদেশ-ভারত

অনিকেত রহমান, কলকাতা প্রতিনিধি
|  ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২১:১৪
বাংলাদেশ, ভারত
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় বঙ্গবন্ধু জাদুঘর এবং শহীদ মিনার স্থাপনের পাশাপাশি দেশটির সঙ্গে আমদানি-রপ্তানিতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর যোগের প্রস্তাব কার্যকর করতে কাজ করবে বাংলাদেশ-ভারত।

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ সোমবার সন্ধ্যায় ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ে বৈঠকে এসব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকটির শুরুতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী তার প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপত্য স্নেহের কথা উল্লেখ করে বলেন, তিনি আমাকে ত্রিপুরা সীমান্তে মাদক চোরাচালান বন্ধের জন্য বলেছিলেন, আমি তা বাস্তবায়ন করেছি।

হাছান বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার মানুষ শুধু রাজ্য নয়, বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দিয়েছিল তাদের মনের দুয়ার। তখন ত্রিপুরার লোকসংখ্যা ছিল ১৫ লাখ, সেখানে বাংলাদেশি শরণার্থীর সংখ্যাও ছিল ১৫ লাখ।  বাংলাদেশ তাই ভারতের পাশাপাশি ত্রিপুরার অবদানের কথাও চিরদিন স্মরণ করবে।

এসময় আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগাযোগ, বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল যান চলাচল ব্যবস্থা, ত্রিপুরা-বাংলাদেশ সীমান্ত-পারাপার পণ্যপরিবহন সহজীকরণ, সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনার বিষয়ে দ্রুত অগ্রগতির ওপর জোর দেন তারা।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আগরতলায় একটি বঙ্গবন্ধু জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও আগরতলায় বাংলাভাষীর সংখ্যাধিক্যের দিকে নজর দিয়ে একটি শহিদ মিনার স্থাপনে বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রীর প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া দেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।

এর আগে সকালে আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগাযোগ কাজের অগ্রগতি দেখতে নিশ্চিন্তপুর সীমান্ত পরিদর্শন করেন হাছান মাহমুদ। কর্মকর্তারা আগামী বছরের শেষদিকে এটি সম্পন্ন হবে বলে জানান।

শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময়ের সময় বিপ্লব কুমার দেবকে বঙ্গবন্ধুর লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচার ইংরেজি ভার্সন এবং নৌকা স্মারক উপহার দেন হাছান মাহমুদ।

বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অতিরিক্ত সচিব ও চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনার কিরিটি চাকমা, কলকাতা উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব প্রেস ড. মোফাখখারুল ইকবালসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা ছিলেন।

অন্যদিকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার মুখ্য সচিব ড. ভেঙ্কটেশওয়ারলু, অতিরিক্ত মুখ্য সচিব কুমার অলক ও প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিরা উপস্থিত ছিলেন।

কে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়