logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬

কলকাতায় চোখ দেখাতে গিয়েছিলেন নিহত দুই বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২৩:৩৯ | আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২৩:৪৪
দুই বাংলাদেশি , কলকাতা দুর্ঘটনা
ছবি: সংগৃহীত
চোখের সমস্যা নিয়ে কলকাতায় চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন মোহাম্মদ মইনুল আলম। সঙ্গে ছিলেন তার বান্ধবী ফারহানা ইসলাম তানিয়া এবং চাচাতো ভাই জিয়াদ। মাঝেমধ্যেই কলকাতায় আসতেন মইনুল। কিন্তু এবার আর দেশে ফেরা হলো না। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলো মইনুল ও তানিয়ার। অল্পের জন্যে প্রাণে বেঁচে গেছেন জিয়াদ। খবর আনন্দবাজারের।

ভাইয়ের এমনভাবে মৃত্যু হয়েছে এখনও বিশ্বাস করতে পারছেন না মইনুলের বড় ভাই কাজি মোহাম্মদ সাইফুল আলম। কান্না জড়ানো গলায় সাইফুল বলেন, ভাবতেই পারছি না এমনটা হয়েছে। পরশু রাতেই কথা হয়েছিল। আমি ঝিনাইদহে যাচ্ছি বাবা-মায়ের কাছে। তারা তো এখনও কিছু জানেনই না।

সাইফুল আরও জানান, তানিয়া তার ভাইয়ের বান্ধবী ছিলেন। জিয়াদ ও তানিয়াকে নিয়ে মইনুল গত ১৪ তারিখ ভারতে আসেন। উঠেছিলেন মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে।

মইনুল ঝিনাইদহের বাসিন্দা। গ্রামীণফোনে কাজ করার সূত্রে তিনি ঢাকায় থাকতেন। আর তানিয়া ঢাকায় সিটি ব্যাংকের কর্মী ছিলেন বলে জানিয়েছেন সাইফুল। ১৫ আগস্ট রাতে মইনুলের সঙ্গে শেষ কথা হয় সাইফুলের।

তিনি বলেন, এর আগে কলকাতায় বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চোখ দেখাতে গিয়েছিল মইনুল। এবারের যাওয়া ছিল রুটিন চেকআপের জন্য। তানিয়া-জিয়াদও তার সঙ্গে গিয়েছিল।

কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে, রাতে অন্য এক হোটেলে খাওয়া-দাওয়ার পর তিনজন ফুটপাত ধরে হাঁটছিলেন। ফিরছিলেন মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে। হঠাৎ দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়ি ধাক্কা মারে তাদের। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মইনুল ও তানিয়ার। বাংলাদেশ ডেপুটি হাই-কমিশনারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অফিসিয়াল সব কাজ শেষ। আগামীকাল রোববার সকালেই পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে মইনুল-তানিয়ার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হবে।

সাইফুল বলেন, কাল সকালে ভাইয়ের মরদেহ বেনাপোল থেকে সোজা ঝিনাইদহে আনা হবে। এখানেই দাফন হবে মইনুলের।

এ/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়