logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের প্রচেষ্টায় হতাশ জাতিসংঘের মহাসচিব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:১৫ | আপডেট : ১৯ জানুয়ারি ২০১৯, ১৯:২২
ফাইল ফটো
রোহিঙ্গাদেরকে তাদের জন্মভূমি রাখাইনে নিরাপদ প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ‘অত্যন্ত ধীরগতির’প্রচেষ্টায় হতাশ জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে এক প্রেস কনফারেন্সে সাংবাদিকদের কাছে তিনি তার হতাশার কথা জানান।

অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেন, দুর্দশাগ্রস্ত মানুষগুলোর প্রতি মিয়ানমারের ইতিবাচক মনোভাবের অভাব আমাকে প্রচণ্ড হতাশ করেছে। এটা শুধু কাঠামোগত পুনর্গঠন নয়, পুনর্মিলনও। আর মিয়ানমারের সরকারকেই রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পুনর্মিলনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধানের মূল বিষয় হলো সহিংসতা দূর করা। অথচ আমরা সম্প্রতি মিয়ানমারে আবারও সহিংসতার ঘটনা দেখলাম। অন্যদিকে বাংলাদেশে আশ্রিত মানুষগুলোর অবস্থাও দিন দিন অত্যন্ত শোচনীয় হচ্ছে।

জাতিসংঘ প্রধান বলেন, এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাদেরকে স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের মানসিকতা তৈরির মতো পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। তাই প্রথমে দেশটির অভ্যন্তরীণ প্রত্যাবাসনের সমস্যাটি সমাধান করতে হবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, অভ্যন্তরীণ প্রত্যাবাসনের জন্য একাধিক উপায় খুঁজতে হবে। এটা সফল ও বিশ্বাসযোগ্য হলে বাইরে থাকা মানুষগুলো স্বেচ্ছায় ফিরে আসার আগ্রহ প্রকাশ করবে।

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদেরকে আশ্রয় দেয়ায় আমরা বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞ। কারণ তাদের আশ্রয় দেয়ার বিষয়টি দেশটির উন্নয়নকেও প্রভাবিত করছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের নভেম্বরে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ক একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি হয় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে। এই চুক্তি অনুসারে, দুই দেশের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠিত হয়। গত ৩০ ও ৩১ অক্টোবর ঢাকায় তৃতীয়বারের মতো বৈঠক করে এই গ্রুপ। এই বৈঠকে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রথম রাউন্ডে ৪৮৫টি রোহিঙ্গা পরিবারের দুই হাজার ২৬০ জনকে ফিরিয়ে নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু রোহিঙ্গাদের প্রতিবাদের মুখে তা স্থগিত করা হয়।

আরও পরুন

কে/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়