Mir cement
logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হলো ছায়ানটের বর্ষবরণ

ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হলো ছায়ানটের বর্ষবরণ
ফাইল ছবি

আজ পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ ১৪২৮। ১৪২৭ সনকে বিদায় জানিয়ে বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হলো নতুন বছর। গত বছরের মতো এবারও আনন্দের সময় কেড়ে নিচ্ছে করোনাভাইরাস। বৈশাখের প্রথম প্রহরে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান যেন এখনও কানে বাজে। তবে গত ২ বছরেই এর তেমন কোনও আয়োজন না থাকায় সবকিছুই যেন বিষাদময় লাগে। সে আয়োজন ছাড়া এখন যেন পহেলা বৈশাখ বরণ অসম্পূর্ণ লাগে।

করোনা মহামারির কারণে বর্ষবরণের আয়োজন সম্পন্ন করতে হয়েছে অনলাইনে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেল এবং বিটিভিতে এই আয়োজনটি সম্প্রচার করা হয়।

আয়োজনের শুরুতেই রাগালাপে সরোদবাদন করে ইউসুফ আলী খান। এরপর ‘পূর্বগগনভাগে দীপ্ত হইল সুপ্রভাত’ সম্মেলকভাবে রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করে ছায়ানটের বড়দের দল। ‘অন্ধকারের উৎস হতে’ একক রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেন আব্দুল ওয়াদুদ। ‘আমি ভয় করব না’, রীবন্দ্রনাথের এই গানটি এককভাবে গেয়ে শোনান সেঁজুতি বড়ুয়া। ‘এলো এলো রে বৈশাখী ঝড়’ সম্মেলক নজরুলগীতি উপস্থাপন করে ছায়ানটের ছোটদের দল।

ছায়ানট সভাপতি সন্জীদা খাতুন বলেন, এ বছর আমরা আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতার অর্ধশতবর্ষ পূর্ণ করছি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে, নববর্ষের প্রথম প্রভাতে আপনারা ছায়ানটের প্রীতি ও ভালোবাসা গ্রহণ করুন।

১৯৬৭ সাল থেকে নগরজীবনে নববর্ষকে আবাহন জানানোর জন্য ছায়ানট রমনার বটমূলে যে সুর ও বাণীর আয়োজন করে আসছে তাতে প্রথম ছেদ পড়ে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালে, আর গত বছর মহামারির কারণে।

সংক্রমণের প্রকোপে এবছরেও তা আয়োজিত হচ্ছে অনলাইনে অর্থাৎ সীমিত পরিসরে। উৎসবের আমেজ নেই; স্বজন হারানোর বেদনা আর সংক্রমণের শঙ্কা আজ সর্বজনের অন্তরে।

সবশেষে ছায়ানট শিল্পীদের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শেষ করা হয় অনুষ্ঠান। সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানটি দেখা যাবে ছায়ানটের ইউটিউব চ্যানেল (https://youtu.be/drDGKeM9cgM) থেকে।

এমআই/পি

RTV Drama
RTVPLUS