Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ মে ২০২১, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

ঢাবি ক্যাম্পাসে মঙ্গল শোভাযাত্রা হবে না

ঢাবি ক্যাম্পাসে মঙ্গল শোভাযাত্রা হবে না
ফাইল ছবি

করোনার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পহেলা বৈশাখ-১৪২৮ বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে সশরীরে কোনও মঙ্গল শোভাযাত্রা করা হবে না।

আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে প্রতীকী কর্মসূচি হিসেবে চারুকলা অনুষদের শিল্পীদের তৈরি মঙ্গল শোভাযাত্রার বিভিন্ন মুখোশ ও প্রতীক প্রদর্শন এবং সম্প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হবে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনও ধরনের মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গণজমায়েত করা যাবে না। মহামারি উদ্ভূত পরিস্থিতি উত্তরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সবার সদয় সহযোগিতা কামনা করেছে।

মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস

প্রতিবছর দেশে বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে পালন করা হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঢাকার চারুকলা ইন্সটিটিউট থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা। ২০১৬ সালে পহেলা বৈশাখ বরণ করে নেয়ার অপেক্ষাকৃত নতুন এই উৎসবটি ইউনেস্কোর অপরিমেয় বিশ্ব সংস্কৃতি হিসেবে স্বীকৃতি পায়। চারুকলা থেকে এই শোভাযাত্রার শুরুটা হয়েছিল ১৯৮৯ সালে।

১৯৮৫ সালে যশোরে চারুপীঠ নামের একটি সংগঠন এ ধরণের একটি শোভাযাত্রা করেছিল। যার উদ্যোক্তারা ঢাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনে ভূমিকা রাখেন এবং সেখান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চারুকলায়ও মঙ্গল শোভাযাত্রার শুরু হয়।

ষোড়শ শতকে যখন মোঘল সম্রাট আকবরের সময়ে বর্তমান বাংলা বর্ষপঞ্জি তৈরি হয়, তখন সেটি মূলত: ফসল রোপণ এবং কর আদায় সহজ করার উদ্দেশ্যেই করা হয়।

বাংলা বর্ষ ছাড়াও দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় একই সময়ে নানা নামে নতুন বছরের শুরু হয়। তবে শাসকরা যে উদ্দেশ্যেই বর্ষপঞ্জি করুক না কেন, এই নববর্ষ উদযাপনের সংস্কৃতিও বাংলায় বেশ প্রাচীন।

হালখাতা, মেলা, পিঠা-পুলি বানানো নানাভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন হয়ে আসছে বহু বছর ধরে। ১৯৬৬ সালে বাংলা বর্ষের গণনা সংস্কার করা হয়, এবং যার পর থেকে বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপন হয়ে আসছে ১৪ এপ্রিল।

এসএস

RTV Drama
RTVPLUS