spark
logo
  • ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০, ২৭ আষাঢ় ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৩০ জন, আক্রান্ত ২৬৮৬ জন, সুস্থ হয়েছেন ১৬২৮ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শুভ জন্মদিন মাস্টার ব্লাস্টার শচীন

আরিফুর রহমান, অতিথি লেখক
|  ২৪ এপ্রিল ২০২০, ১৫:৫৩ | আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২০, ২১:০৯
শুভ জন্মদিন মাস্টার ব্লাস্টার শচীন
শচীন টেন্ডুলকার
যার ব্যাটের যাদুর ছোঁয়ায় ভারতের দেড়শ কোটি মানুষ ধর্ম, বর্ণ, সংস্কৃতি ও গোত্রের ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে দাঁড়িয়েছিল, তিনিই শচীন রমেশ টেন্ডুলকার।

দেশটির প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের জীবন্ত কিংবদন্তী। আজ তার ৪৭তম জন্মদিন। ১৯৭৩ সনে আজকের দিনে (২৪ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের একটি নার্সিং হোমে জন্মেছিলেন ক্রিকেটের এই রাজপুত্র। জন্মদিনে ক্রিকেট ইশ্বরকে অজস্র ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা।

ভারতে ক্রিকেট ধর্মের মতোই, আর সেখানে পূজনীয় ব্যক্তি শচীন। শচীনের জীবনেও ক্রিকেট ধর্মের মতো, প্রার্থনার মতো। তাই তো ২০১৩ সালের ১৬ নভেম্বর শেষবার বাইশ গজ ছাড়ার সময় বিদায়লগ্নের ভাষণেও বলেছিলেন, ক্রিকেট তার কাছে ছিল মন্দিরে যাওয়ার সমান, প্রার্থনার সমান।

ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন শচীন। পুরনো রেকর্ড ভেঙে গড়েছেন নতুন কৃতিত্ব। বাইশগজে তিনি কোনো স্বাদই অপূর্ণ রাখেননি।

স্কুল ক্রিকেটে যখন ৩২৬ রানের অপরাজিত ইনিংসটি খেলেছিলেন, তখনই শোরগোল উঠে ভারতবর্ষে। এরপর ফার্স্টক্লাসে ৬৬৪ রানের জুটি তো ক্রিকেট বিশ্বকে নাড়িয়ে দেয়।

মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের ক্যারিয়ারের শুরু এবং শেষের তারিখ একই দিনে। শুরু ১৯৮৯ এর ১৫ নভেম্বর। আর শেষ ২০১৩ সালের ১৫ নভেম্বর। এছাড়াও ক্রিকেট নিয়ে অনেকগুলো ঘটনার সাক্ষী তিনি। যা তাকে ভারতে পূজনীয় পর্যায়ে নিয়ে ঠেকেছে।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি গড়ার  বিষয়টি সবার মনে অক্ষত থাকবে ক্রিকেট যতদিন থাকবে। তারমধ্যে টেন্ডুলকারের টেস্ট (২০০), ওয়ানডে (৪৬৪) এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচের (১) সংখ্যার যোগফল দাঁড়ায় ফার্স্টক্লাস বিশ্ব টনক নাড়ানো জুটিটি।

এই ক্রিকেট লিজেন্ডের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি সংখ্যা যেমন ১০০ তে গিয়ে ঠেকেছে, তেমনই টেস্টেও ২০০ ম্যাচের বেশি খেলতে পারেননি।

শুধু তাই নয়, শচীন টেন্ডুলকার তার ৭৮২ ম্যাচের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৫৮-৭৫ রান ব্যতীত ০-৯৯ এর সব সংখ্যার স্কোর করেছেন। যা অনেকের কাছে এখনো অবিশ্বাস্য মনে হয়। চির প্রতিদ্বন্ধী পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে তো কখনো ৬ হাঁকাতে পারেননি, এমনকি ০ রানেও আউট হননি।

২০১১ সালে ঘরের মাঠে তার বিদায়ী বিশ্বকাপও জেতে ভারত। মাত্র ২০ বছর বয়সেই টেস্টে করেছিলেন পাঁচ পাঁচটি সেঞ্চুরির রেকর্ড যা এখন পর্যন্ত অক্ষত। আর ১৭ বছর বয়সে টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরি আসে। টেস্ট ও ওডিআইতে সবচেয়ে বেশি রান আর সেঞ্চুরির মালিক টেন্ডুলকার ৩৬ বছর বয়সে একদিনের ম্যাচে হাঁকান প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। যা ওয়ানডে ক্রিকেটেও প্রথম।

এছাড়াও ২০০ টেস্টে ৩২৯ ইনিংস খেলে শচীন করেছেন ১৫ হাজার ৯২১ রান। যাতে সর্বোচ্চ ইনিংস ২৪৮ রানের। এরপর ২০১৩ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে থেকে বিদায় নেওয়া শচীন ২৩ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৪৬৩ ম্যাচ করেন ১৮ হাজার ৪২৬ রান। যাতে রয়েছে ৪৯টি সেঞ্চুরি।  রয়েছে সর্বোচ্চ ২০০ রানের ইনিংস। শচীনের ক্যারিয়ারের শেষের দিকে চালু হয় টি-টোয়েন্টি। যে কারণে মাত্র একটি টি টোয়েন্টি খেলার সৌভাগ্য হয় তার। তবে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষে স্বদেশী প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দারুণ সময় কাটান এই মাস্টার ব্লার্স্টার।

এমআর/

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ১৮১১২৯ ৮৮০৩৪ ২৩০৫
বিশ্ব ১২৬৪৫৬৫৫ ৭৩৮১৪০৮ ৫৬৩২৫১
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • ক্রিকেট এর সর্বশেষ
  • ক্রিকেট এর পাঠক প্রিয়