• ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন ইনজামাম-বাউচার

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৩:৫৬ | আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:১০
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ক্রিকেট বিশ্বের দুই কিংবদন্তী পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ইনজামাম-উল-হক ও দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক কাম ব্যাটসম্যান মার্ক বাউচার মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) আজীবন সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত হন। 

whirpool
গত শুক্রবার ইনজামাম ও মার্ক বাউচারকে এ মর্যাদা দেয়া হয়।

পাকিস্তানের ইমরান খান, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস ও শহীদ আফ্রিদির পর এমন বিরল গৌরব অর্জন করলেন ইনজামাম। বর্তমানে ইনজামাম পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাচক। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১১৯ টেস্টে ৫০.১৬ গড়ে ২৫টি সেঞ্চুরি সহকারে ৮ হাজার ৮২৯ রান করেন তিনি। পাশাপাশি ৩৭৮টি ওয়ানডেতে ৩৯.৫০ গড়ে ১১ হাজার ৭৩৯ রান করেন ইনজি। ছিলেন ১৯৯২ বিশ্বকাপজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

২০০৩ থেকে অবসরের আগ পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় দলের টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ছিলেন ইনজি। 

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন ইনজামাম। এরপর ২০১৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক পদে নিয়োগ পান। তার আগে আফগানিস্তানের কোচের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। 

১৯৯১ সালের ২২ নভেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার ওয়ানডে, ১৯৯২ সালের ৪ জুন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেট এবং ২০০৬ সালের ২৮ আগস্ট ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে তার অভিষেক হয়।

অপরদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে অ্যালান ডোনাল্ড, জন্টি রোডস, শন পোলক ও ডারিল কুলিনানের পর  এমসিসির এ সম্মাননা পেলেন বাউচার। প্রোটিয়াদের হয়ে ১৪৬ টেস্ট খেলা এ ক্রিকেটার উইকেটের পেছনে ৫৩০টি ক্যাচ এবং ২৩টি স্ট্যাম্পিং করেন। এ ছাড়া ব্যাট হাতে করেন ৫ হাজার ৪৯৮ রান।

বাউচার ২৯০ ওয়ানডেতে ৩৯৫ ক্যাচ ও ২১টি স্ট্যাম্পিং করেন। এ ছাড়া করেন ৪ হাজার ৫২৩ রান। টেস্ট ও ওয়ানডে-দুই ফরম্যাট মিলিয়ে ৯৯৮ ক্যাচ এবং স্ট্যাম্পিং নিয়ে বিরল রেকর্ডের মালিক তিনি। বর্তমানে টাইটানস দলের কোচের ভূমিকায় আছে বিশ্বনন্দিত ক্রিকেটার।

১৯৯৮ সালের ১৬ জানুয়ারি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার ওয়ানডে, ১৯৯৭ সালের ১৭ অক্টোবর পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেট এবং ২০০৫ সালের ২১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে তার অভিষেক হয়।

এএ

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়