logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

রক্তাক্ত মেসি, তবু জিতেছে বার্সা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১১ এপ্রিল ২০১৯, ১০:৪২
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলর দ্বিতীয় লেগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড যেভাবে প্যারিস সেন্ট জামের্ইকে (পিএসজি) কাবু করে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল, সেটি কেউই ভুলেনি। এমন অবস্থায় ওল্ড ট্রার্ফোডে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে এসেছিল বার্সেলোনা।

অ্যাওয়ে ম্যাচটিতে স্বাভাবিকভাবেই লিওনেল মেসিদের সামনে এটা ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জ। যদিও চাপে থাকা বার্সা ম্যাচটি জিতে নিয়েছে ১-০তে।  ইংলিশ ডিফেন্ডার লিউক শ’র আত্মঘাতী গোলে হারতে হয়েছে ইউনাইটেডকে।

বার্সা অধিনায়ক মেসি এদিন ছিলেন নিষ্প্রভ। ম্যাচে জুড়ে স্প্যানিশ জায়ান্টদের থেকেও দাপট বেশি ছিল স্বাগতিকদের। তবু প্রথম লেগের শেষ হাসিটা হাসল বার্সাই। 

কোয়ার্টারের ভাগ্য এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সন্দেহ নেই যে, বার্সার মাঠে ফিরতি ম্যাচে মরিয়া প্রয়াস চালাবে ওলে গানারের শিষ্যরা। তবে এটা ঠিক যে, চার বছর প্রথমবার শেষ আটের বাধা টপকে সেমিফাইনালের দিকে এক পা বাড়িয়ে রাখল ন্যু ক্যাম্পের দলটি।

পুরো ম্যাচ জুড়েই দুই পক্ষ বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করছিল। তবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে ব্যর্থ হয় দুই পক্ষই।

এদিন ম্যাচের ১২ মিনিটেই উপহার হিসেবে পাওয়া গোলে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মেসির বাড়ানো বলে পা ছুঁইয়ে জালে জড়ানোর চেষ্টা করেন লুইস সুয়ারেজ। ম্যানচেস্টারের লেফট ব্যাক লিউকের পায়ে লেগে বল ঢুকে যায় রেড ডেভিলসদের জালে। 

যদিও সুয়ারেজের বিরুদ্ধে অফসাইডের আবেদন ওঠে। তবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সহায়তায় গোল বৈধ বলে ঘোষিত হয়।

দুই অর্ধে মার্কাস রাশফোর্ড দুটি এবং সুয়ারেজ দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোলের সম্ভাবনা তৈরি করে। যদিও ফিনিশিং টাচ দিতে পারেননি। 

মাঝে ক্রিস রেড ডেভিলসদের সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার স্মালিংয়ের অবৈধভাবে মেসিকে আটকানোর চেষ্টা করেন। এতে নাক ও চোখ থেকে রক্ত বের হয় আর্জেন্টাইন মহাতারকার। এই ঘটনা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনও কিছু ঘটেনি ম্যাচটিতে। 

সন্দেহ নেই অ্যাওয়ে ম্যাচে জয়ের সুবাদে মেসিরা ঘরের মাঠে ফিরতি লেগে এগিয়ে থাকবে। তবে সেমিফাইনালে উঠতে হলে পিএসজি ম্যাচের মতো ফের একবার অতিমানবীয় ফুটবল উপহার দিতে হবে ম্যানইউকে।

ওয়াই

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়