Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

 ‘জিয়া খালেদাকে নিয়ে প্রতিমাসে আমাদের বাড়ি গিয়ে বসে থাকতো’

 ‘জিয়া খালেদাকে নিয়ে প্রতিমাসে আমাদের বাড়ি গিয়ে বসে থাকতো’

জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান তো খালেদা জিয়াকে নিয়ে মাসে একবার করে আমাদের বাড়ি গিয়ে বসে থাকতো।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাসঘাতকদের সমালোচনা করে বলেন, ‘হ্যাঁ আমাদের দলে বেইমান তো ছিলই। খন্দকার মোস্তাক-টোস্তাকরা তো ছিলই। এটা তো অস্বীকার করি না। আমাদের বাড়ির ভাত কার পেটে না গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের ১৪তম অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে বিএনপির সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এদের থেকে আমাদের এখন মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়। আইনের শাসনের কথা শুনতে হয়। আমি আমার বাবা-মার হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করতে পারিনি। আমাদের সেই অধিকার ছিল না।’

শেখ হাসিনা বলেন ‘জিয়াউর রহমান পঁচাত্তরের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলো এতে কোনও সন্দেহ নেই। আমি তাকে আসামি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের তখনকার স্বরাষ্ট্রসচিব রেজাউল হায়াত বলেছিলেন—মৃত মানুষকে তো আসামি করা যায় না। আমার মনে হয় নামটা আসামি হিসেবে থাকা উচিৎ ছিল। কারণ জিয়া যে ষড়যন্ত্রে জড়িত তা ফারুক-রশিদ নিজেরাই বলেছে। একাধিক বইতে আছে। আর জড়িত না হলে যেসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছিল তাদের ছেড়ে দিলো কেন? জিয়াউর রহমান সেই বিচার বন্ধ করে সবাইকে কারাগার থেকে মুক্তি দিলো। সাত খুনের আসামিকে ছেড়ে দিলো। খুনিদের ডেকে এনে দল করলো। স্বাধীনতা যুদ্ধই যদি করে থাকে তাহলে একাত্তরের অগ্নিসংযোগকারী, খুনি ধর্ষণকারীদের কেন মন্ত্রী উপদেষ্টা বানালো? সংসদে বসালো। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করলো। তার বউ খালেদা জিয়াকে আরও একধাপ ওপরে গিয়ে এমপি বানিয়ে সংসদে বসালো। খুনি, অপরাধী, ধর্ষণকারী, যুদ্ধাপরাধী, জঙ্গি-এদের সঙ্গে তাদের বসবাস।’

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়ার আমলে প্রত্যেকটি কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে তার রেকর্ড তো থেকে যায়। সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন।’

এমএন

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS