logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

খালেদা জিয়ার জন্য যেকোনও আন্দোলনে রাজি: নজরুল ইসলাম

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১২ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৪১
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান (ফাইল ছবি)
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য যেকোনও ধরনের আন্দোলন করতে আমি রাজি। আপনারা মুখে যেমন বলেন কাজে সেরকম কিছু করে দেখান। অনেক শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। সেটা না করা পর্যন্ত আন্দোলন-সংগ্রাম জোরদার হবে না।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে জতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরম খাঁ হলে এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা, নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে জিয়া আদর্শ একাডেমি।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, অনেকেই হলের মধ্যে আলোচনা সভা, প্রতিবাদ সভা পছন্দ করেন না। যারা পছন্দ করেন না, তারা আসেন কেন? যদি মনে করেন এরকম সভার কোনও উপযোগিতা নেই, তাহলে এখানে অংশ নেন কেন? আমি তো মনে করি এরকমের সভার উপযোগিতা আছে। এসব সভার উদ্দেশ্য হলো অন্যদের উদ্দীপ্ত করা, নেতাকর্মীদের অধিকতর সচেতন করা এবং চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রস্তুতি গ্রহণ করা।

তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, অনুষ্ঠানে যারা বক্তব্য রাখেন তারা তো নেতা। দুই-চার জনের নেতা না, দুই-চারশ লোকের নেতাও না। তারা অন্তত দুই-চার হাজার লোকের নেতা। আর এটাই যদি সত্য হয়, তাহলে যারা বক্তৃতা করলেন, তারা প্রত্যেকেই অন্তত চারশ করে লোক নিয়ে এলে এই প্রেসক্লাব তো লোকে ভরে যেত। আনেননি কেন? আনতে পারেননি কেন?’

প্রতিবাদ সভায় কর্মীদের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আপনারা অভিযোগ করেন, আমরাই সিদ্ধান্ত নিই। হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমরা সিদ্ধান্ত নিই। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরামর্শ অনুযায়ী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে আমরাই সিদ্ধান্ত নিই। তবে মনে রাখবেন, একটা মানববন্ধনে ৫০ হাজার লোক পেলে বড় কর্মসূচি দেওয়ার সাহস পাই। গণঅনশনে এক লাখ লোক পেলে আরও বড় কর্মসূচি দেওয়ার সাহস পাই। কিন্তু আপনার কি প্রোগ্রামে আসেন?

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, রাতে যখন ভোট কাটা হলো, তখন তো কোথাও প্রতিরোধ গড়ে তোলেননি। হয়তো বলবেন, পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল, প্রতিবাদ করতে গেলে মেরে ফেলত। কিন্তু একটু আগেই তো বক্তব্য দিলেন, ‘রাজপথে রক্ত ঝরায়ে দেবো।’ ভোট কাটার সময় তো রক্ত দিলেন না! মুখের কথা এবং আচরণ যখন একরকম করতে পারব, পরিবর্তন তখনই আসবে। তা না হলে, এই হলের মধ্যে বড় বক্তৃতা করা যাবে, পরিবর্তন আসবে না।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমি কি আপনাদের মতো বড় বক্তৃতা দিতে পারি না? নাকি বেগম খালেদা জিয়াকে আপনাদের চেয়ে কম শ্রদ্ধা করি, কম ভালোবাসি? আমরা যখন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এরশাদবিরোধী আন্দোলন করি, তখন আপনাদের অনেকের জন্মও হয়নি। আমরা খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আপসহীন লড়াই করে শুধু দলকে টিকিয়ে রাখিনি, ক্ষমতাও এনেছি।

জিয়া আদর্শ একাডেমির সভাপতি মো. আজম খানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা কাদের গণি চৌধুরী, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়