logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

১০০ শিল্পাঞ্চলে সোয়া কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে: প্রধানমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:৩৬ | আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০১৯, ২৩:১৯
দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে বক্তব্য দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ছবি: পিআইডি
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২১ সালের মধ্যে আমরা বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করব। আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে উন্নয়ন বৈষম্য কমানো। গ্রামের মানুষ যেন শহরের সুবিধা পায় সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা যে ১০০টি শিল্পাঞ্চল করছি তাতে সোয়া কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ফলে কোনও লোক বেকার থাকবে না।

আজ শুক্রবার বিকেলে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিকেল ৫টায় তার সরকারি বাস ভবন গণভবনে এই বৈঠক শুরু হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের অর্থনীতি যথেষ্ট মজবুত। এবার প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগের বেশি হবে। উন্নয়নের দিক থেকে আমরা গ্রামকে প্রাধান্য দিয়েছি। গ্রাম ও শহরের বৈষম্য কমানোর উদ্যোগ নিয়েছি। গ্রামের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, হতদরিদ্র থাকবে না। এমনকি কোনও ভিক্ষুকও থাকবে না।

আগুনের সময় উৎসুক জনতার ভিড়ের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খামাখা কিছু লোক অহেতুক ভিড় করে। এদের কারণে ফায়ার সার্ভিস ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। এরা দাঁড়িয়ে থেকে সেলফি তোলে। এখানে সেলফি তোলার কী আছে বুঝলাম না। সেলফি না তুলে তারা কয়েক বালতি পানি আনলেই পারে।

তিনি বলেন, কয়েকদিন দিন আগে একটি বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে। বেশকিছু লোক হতাহত হয়েছেন। যারা মারা গেছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। একটা কথা বলব, উত্তেজিত লোক ফায়ার সার্ভিসের একটা গাড়িও ভেঙে দিয়েছে। একটি গাড়ি কিনতে ৯-১০ কোটি টাকা খরচ পড়ে। ফায়ার সার্ভিস আসতে দেরি হচ্ছে কেন সে জন্য ফায়ার সার্ভিসের লোকদের মারছে। সেটা না করে এক বালতি পানি এনে নেভানোর চেষ্টা করতো তাহলে ভালো কাজ করতো।

শেখ হাসিনা বলেন, একটা অল্প বয়সী ছেলে তাকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হচ্ছে। অকারণে সেখান ভিড় করে। ফায়ার সার্ভিস যেতে পারে না। ছবি তোলে, সেলফি তোলে। আগুন নেভানোর চেষ্টা করুক, উদ্ধার কাজ করুক। তা না করে সেলফি তোলে। আমি অবাক হয়ে যাই। এ ধরনের ঘটনায় কিভাবে সহায়তা করা যায়, সেটা না। পরে আমি আইজিপিকে বললাম, সবাইকে যেন আহ্বান করা হয় তারা রাস্তা থেকে যেন লোকজনকে যেন সরিয়ে দেয়। পরে তারা সেটা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ঘটনায় মিডিয়ারও ভূমিকা আছে। মিডিয়া যখন সরাসরি সম্প্রচার করে তখন মানুষের আগ্রহ বেড়ে যায়। ভিড় বাড়ে। এই কারণে মিডিয়াকেও দায়িত্বশীল হতে হবে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আরেকটা সমস্যা হলো পানির সমস্যা। যদিও ওয়াসার পানি আছে, কোনও সমস্যা হলে ওয়াসার পানি পাওয়া যায়। এই যে গুলশান লেক। এটি এখণ যেমন আছে, এক সময় দ্বিগুণ ছিল। একেকজন ক্ষমতায় আছে, জিয়া ক্ষমতায় এলো, গুলশান লেক দখল করে ফেলল। এছাড়া ঢাকায় পুকুর ছিল সেগুলো নেই। অন্তত যারা বাড়ি করছেন তাদের খেয়াল রাখতে হবে প্রত্যেকটা জায়গায় অন্তত একটা করে জলাধার যেন থাকে।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়