Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮
discover

বগুড়া সদরের ৮ ইউপিতে ডুবল নৌকা

বগুড়া সদরের ৮ ইউপিতে ডুবল নৌকা

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বগুড়া সদর উপজেলায় নৌকা প্রতীকের ভরাডুবি হয়েছে। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে মাত্র ২টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী। বাকি ৬টিতে স্বতন্ত্র ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে হেরেছে নৌকার প্রার্থীরা।

উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে- বগুড়া শেখেরকোলা ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীকে ৫ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি রশিদুল ইসলাম মৃধা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের কামরুল হাসান পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৬ ভোট।

লাহিড়ীপাড়া ইউপিতে ৫ হাজার ৮৭৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকে বিএনপির ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার আবু নাসের। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আজহারুল হান্নান নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৮৪৩ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।

নামুজা ইউপিতে ৯ হাজার ৪৫৯ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীকের রফিকুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকের এসএম রাসেল পেয়েছেন ৬ হাজার ১ ভোট।

গোকুল ইউনিয়নে আনারস প্রতীকের জিয়াউর রহমান ৫ হাজার ৭৫৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকের সওকাতুল ইসলাম সরকার ৫ হাজার ৮৮ ভোট পেয়েছেন।

সাবগ্রাম ইউপিতে নৌকা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। এখানে মাত্র ১৫ ভোটের ব্যবধানে নৌকা প্রতীকের ইসরাইল হক সরকারকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের বিএনপির ইউনিয়ন কমিটির সাবেক সভাপতি ফরিদ উদ্দীন।

নিশিন্দারা ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল প্রতীকের বিএনপির ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি সহিদুল ইসলাম ৬ হাজার ৯৯২ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। এই ইউপিতে নৌকা প্রতীকে রিজু হোসেন মাত্র ১ হাজার ৬১২ ভোট পেয়েছেন।

শাখারিয়া ইউপিতে ৪ হাজার ৭৯ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীকে এনামুল হক জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আনারস প্রতীকের নাজমুল হাসান পেয়েছেন ৩ হাজার ৮০৬ ভোট।

নুনগোলা ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আনারস প্রতীকের বদরুল আলম জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অটোরিকশা প্রতীকের শাহ আব্দুর রশিদ পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৯৬ ভোট। এছড়া নৌকার প্রার্থী ভোটের আগের দিন নির্বাচন থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার মৌখিক ঘোষণা দেন। তবুও তিনি ভোট পেয়েছেন ১২২ টি।

দলের ভরাডুবি প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আল রাজি জুয়েল বলেন, 'ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৌকার নির্বাচন করেনি তাই এই ভরাডুবি।'

এমএন/এসকে

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS