logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

এক মাসের বেশি সময় পর মসজিদে মুসল্লিদের নিয়ে জামাত আদায়

এক মাসের বেশি সময় পর মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়
নামাজরত মুসল্লিগণ
করোনাভাইরাসের কারণে এক মাসের বেশি সময় পর মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় করলেন সাধারণ মুসল্লিরা। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে গত ৪ এপ্রিল ধর্মমন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মসজিদে দশজনের অধিক ব্যক্তির অংশ গ্রহণে জামাত আদায়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এরপর ২৩ এপ্রিল আরেক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জুমা এবং রমজান মাসের তারাবির জামাত সীমিত আকারে আদায়ের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়।

তবে বুধবার (৬ মে) আরেক আদেশের মাধ্যমে সে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে মুসল্লিরা আজ জোহর থেকে জামাতে নামাজ আদায় শুরু করেন।  

আজ জোহরের নামাজের সময় জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমে মুসল্লিদের সরকারের নির্দেশনা মেনে নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে। জামাতে নামাজ পড়ে মুসল্লিরাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মসজিদে নামাজ পড়ে যে শান্তি পাওয়া যায়, ঘরে নামাজ পড়ে সেই শান্তি পাওয়া যায় না। তাই করোনা নিয়ে ভয় থাকলেও মসজিদে নামাজ পড়তে এসেছি।

মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়ের বিষয়ে সরকারের যে নির্দেশনাগুলো রয়েছে তা হলো-

১. মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।

২. মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবান-পানিসহ রাখতে হবে এবং মুসল্লিদের অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

৩. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে সুন্নত নামাজ আদায় করে মসজিদে শুধু ফরজ আদায় করবেন। অজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৪. কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব অর্থাৎ তিন ফুট পরপর দাঁড়াতে হবে।

৫. এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।

৬. শিশু, বয়োবৃদ্ধ, যে কোনো অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশ নিতে পারবেন না।

৭. মসজিদের অজুখানায় সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৮. সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

৯. মসজিদে কোনো ইফতার ও সেহরির আয়োজন করা যাবে না।

১০. উল্লিখিত শর্ত পালন সাপেক্ষে প্রত্যেক মসজিদে সর্বোচ্চ পাঁচজন নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে ইতেকাফের জন্য অবস্থান করতে পারবেন।

১১. নামাজ শেষে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া করার জন্য খতিব ও ইমামদের অনুরোধ করা যাচ্ছে।

১২. খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন।

এমকে

RTVPLUS