logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

  ১২ জানুয়ারি ২০২০, ১১:৪৭
আপডেট : ১২ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:২০

মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনায় শেষ হলো ইজতেমার প্রথম পর্ব

আখেরি মোনাজাত দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব
মোনাজাতে অংশ নেন দেশি-বিদেশি লাখো মুসল্লি
মাগফেরাত কামনায় ইহকালে শান্তি, পরকালে এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তিও সমৃদ্ধি কামনা করে আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো ৫৫তম তুরাগ তীরের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। 

আজ রোববার (১২ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ১০ মিনিট থেকে ১১টা ৪৬ মিনিট পর্যন্ত চলা এই আখেরি মোনাজাতে লাখো মুসল্লি অংশ নেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশের তাবলিগের প্রধান মারকাজ কাকরাইলের মুরব্বি হাফেজ মাওলানা জোবায়ের আহমদ। 

মোনাজাতে লাখ লাখ মুসল্লির ‘আমিন আমিন’ ধ্বনিতে পুরো টঙ্গী প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। এর আগে রোববার বাদ ফজর ইজতেমা ময়দানে মুসল্লিদের উদ্দেশে হেদায়েতি বয়ান পেশ করেন পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হক। আখেরি মোনাজাতের আগে বিশেষ বয়ান করেন ভারতের মাওলানা ইবরাহিম দেওলা।

এদিকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে সকাল থেকে রাজধানী ঢাকা, গাজীপুরসহ আশপাশের এলাকা থেকে লাখ লাখ মানুষ স্রোতের মতো ছুটে আসেন ইজতেমা ময়দানে। সকালে দিক-নির্দেশনামূলক বয়ানের পর লাখ লাখ মানুষের প্রতীক্ষার অবসান ঘটে বেলা ১১টা ১০ মিনিটে। জনসমুদ্রে হঠাৎ নেমে আসে পিনপতন নীরবতা। যে যেখানে ছিলেন সেখানে দাঁড়িয়ে কিংবা বসে হাত তোলেন আল্লাহর দরবারে। কান্নায় বুক ভাসান তারা। 

বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এ আখেরি মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও নিজ নিজ গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বালা-মুসিবত থেকে হেফাজত করার জন্য দুই হাত তুলে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে রহমত প্রার্থনা করেন তারা। 

এদিন রাজধানী ঢাকা ছিল প্রায় ফাঁকা। আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে গাজীপুর, টঙ্গী, উক্করাসহ চারপাশের এলাকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, মার্কেট, বিপণীবিতান, অফিসসহ সবকিছু ছিল বন্ধ। 

চারদিন বিরতি দিয়ে ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। ১৯ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এ বছরের বিশ্ব ইজতেমা।

রোববার সকালে চার দিক থেকে লাখ লাখ মুসল্লি পায়ে হেঁটেই টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমা স্থলে পৌঁছেন। সকাল ৯টার আগেই ইজতেমা মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে মুসল্লিরা মাঠের আশপাশের রাস্তা, অলি-গলি, বিভিন্ন ভবনের ছাদে অবস্থান নেন। ফজরের নামাজ ও আখেরি মোনাজাতের জন্য পুরনো খবরের কাগজ, পাটি, সিমেন্টের বস্তা ও পলিথিন সিট বিছিয়ে বসে পড়েন। 

এছাড়াও পার্শ্ববর্তী বাসাবাড়ি, কলকারখানা, অফিস, দোকানের ছাদে, যানবাহনের ছাদে ও তুরাগ নদীতে নৌকায় মুসল্লিরা অবস্থান নেন। ইজতেমাস্থলের চারপাশের ৩-৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কোথাও তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না।

এসএস 

 

RTVPLUS