Mir cement
logo
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮

ধর্ম ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

  ২২ এপ্রিল ২০২১, ১৮:৫৩

রোজাদারের আমল ও ফজিলত

রোজাদারের আমল ও ফজিলত
রোজাদারের আমল ও ফজিলত

মাহে রমজান মাসে ইবাদত করলে অন্যান্য মাসের থেকে তুলনামূলক সওয়াব বেশি। তাই তো ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা রমজান মাসে ইবাদতের পাশাপাশি প্রতিবেশিসহ অসহায়-দরিদ্রদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন। কেউ কাউকে ইফতার করালে তার জন্য রয়েছে অতিরিক্ত সওয়াব ও তাৎপর্য। এতে ইফতার গ্রহণকারী ও ইফতারের আয়োজনকারী কারোরই সওয়াব কমে না।

হযরত সাহল ইবনে সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন- ‘মানুষ ততদিন পর্যন্ত কল্যাণে থাকবে যতদিন তারা অবিলম্বে ইফতার করবে।’ (বোখারী শরীফ, হাদীস নং: ১৮৫৬) (মুসলিম শরীফ , হাদীস নং: ১০৯৮)

নবী (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘যে রোজাদারকে ইফতার করালো, তাকে পানাহার করাল, তাকেও রোজাদারের সমান সওয়াব দেয়া হবে; তাতে তার (রোজাদারের) নেকি বিন্দুমাত্র হ্রাস করা হবে না।’ (তাবরানি, মুসান্নেফে আব্দুর রাজ্জাক)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, ‘৩ ব্যক্তির দোয়া কখনো ফিরিয়ে দেয়া হয় না। যখন রোজাদার ব্যক্তি ইফতার করে, ন্যায় পরায়ণ শাসক ও নির্যাতিত ব্যক্তির দোয়া।’ (মুসনাদে আহমাদ, তিরমিজি)

রমজানে ইবাদত সম্পর্কে হযরত আবু হুরাইরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রত্যেক আদম সন্তান ভালো কাজের প্রতিদান দশ থেকে সাতশ গুণ বেশি পাবে। রোজা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ নিজেই এর প্রতিদান দেবেন। (মুসলিম–২৭০৭)

এসআর/

RTV Drama
RTVPLUS