logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ৫ মাঘ ১৪২৭

ফের জাবিতে আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ মিছিল

জাবি সংবাদদাতা, আরটিভি অনলাইন
|  ০৫ জানুয়ারি ২০২০, ১৬:৪৪
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের। ছবি: আরটিভি অনলাইন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের অপসারণের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ। এ সময় তারা উপাচার্যকে দুর্নীতিবাজ বলে অ্যাখ্যায়িত করেন।  

রোববার দুপুর ১টায় ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে সমাজবিজ্ঞান অনুষদ থেকে একটি মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কলা ও মানবিকী অনুষদ সংলগ্ন মুরাদ চত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট (মার্ক্সবাদী) জাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সুদিপ্ত দে বলেন, ‘বর্তমানে কেউ অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিংবা ক্ষমতাসীন দলের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বললেই তার ওপর শিবিরের ট্যাগ লাগিয়ে হামলা করা হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও এটা ঘটেছে। গত ৫ নভেম্বর সরকারের পেটোয়া বাহিনী ছাত্রলীগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। কিন্তু এখনো এই হামলার কোনও সমাধান হয়নি।’  

এ সময় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক খবির উদ্দিন বলেন, ‘গত ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে ফুল দিতে যাওয়ার সময় উপাচার্য একটি লজ্জাকর অবস্থায় পড়েছিলো। আসলে এ লজ্জা শুধু তাঁর না আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের। আমরা মূলত এ লজ্জা নিবারণের জন্য আন্দোলন করছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে এ লজ্জা থেকে বাঁচাতে এ দুর্নীতিবাজ উপাচার্যকে তদন্ত সাপেক্ষে অবিলম্বে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি করছি।’
সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম পাপ্পু বলেন, ‘গত ৫ নভেম্বরে ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে এখনো কোনও বিচার হয়নি। সরকার বলছে তদন্ত চলছে। আমরা জানতে চাই তদন্ত কী গন্তব্যহীন ট্রেন যে তার কোনও সুরাহ হচ্ছে না। আমরা চাই দ্রুত এ দুর্নীতির তদন্ত করে উপাচার্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।’

পরে সমাবেশ থেকে আগামী ৯ জানুয়ারি আবারও জাবি উপাচার্যকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেয় বক্তারা।
                                                    
প্রসঙ্গত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা থেকে আবাসিক হলের কাজের শুরুর দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি টাকা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে ১ কোটি টাকা দেয়ার অভিযোগ উঠে। এরপর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একাংশ। গত চার মাস যাবৎ এ উপাচার্য বিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন তারা।

এজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • শিক্ষা এর সর্বশেষ
  • শিক্ষা এর পাঠক প্রিয়