logo
  • ঢাকা রোববার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬

বেশি ঘুমে বহু ক্ষতি আছে মৃত্যুঝুঁকিও

অনলাইন ডেস্ক
|  ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৭:১৭ | আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:৫০
বেশি ঘুমে বহু ক্ষতি আছে মৃত্যুঝুঁকিও
ফাইল ছবি
পর্যাপ্ত ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও অতিরিক্ত ঘুম শরীরে রাজ্যের রোগ বাঁধাতে ঘাপটি মেরে বসে থাকে। হতে পারে ডায়াবেটিস এবং হার্টে বড় ধরনের সমস্যাও। এমনকি এতে মৃত্যুঝুঁকিও বেড়ে যায়।

ঘুম-রুটিন
ঘুমের চাহিদা বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পরিবর্তন হতে থাকে। বয়সের পাশাপাশি ঘুম কাজের ওপরও অনেকটা নির্ভরশীল। তাছাড়া লাইফস্টাইল এবং শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে ঘুমের পরিমাপ পরিবর্তিত হয়। ধরুন, অসুস্থতা অথবা অতিরিক্ত ব্যস্ততার কারণে ঘুমের চাহিদা বেড়ে যেতে পারে। যদিও সবার ঘুমের চাহিদা এক নয় তবে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের টানা সাত থেকে নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমানো উচিত নয়!

সাধারণত রোগাক্রান্ত অবস্থায় অনেকে বেশি ঘুমায়। যেমন- হাইপারসমনিয়া রোগে আক্রান্ত হলে সারাদিন ঘুম পায়। রাতেও টানা ঘুমাতে বাধ্য করে। এটি একটি মেডিকেল ডিজঅর্ডার। এ ধরনের রোগী সাধারণত দুর্বল থাকেন এবং স্মৃতিশক্তি হ্রাসজনিত সমস্যায় ভোগেন যা তাদের ঘুমের চাহিদাকে বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া মাদকাসক্ত কিংবা ঘুমের ওষুধ সেবনের কারণেও মানুষ বেশি ঘুমাতে পারে।

ডায়াবেটিস  
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা রোজ রাতে পরিমাণের চেয়ে বেশি ঘুমায় কিংবা ঘুম কম হয়, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কা অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে।

ওজন বৃদ্ধি  
অতিরিক্ত ঘুম ওজন বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে ৯ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো একজন মানুষের সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো মানুষের চেয়ে ৬ বছরে ২১ শতাংশ ওজন বৃদ্ধি পায়।

মাথাব্যথা  
যাদের এমনিতে মাথাব্যথা হয়, তারা পরিমাণের বেশি ঘুমালে সমস্যাটা প্রকট আকার ধারণ করে। সাধারণত ছুটির দিনে বেশি ঘুমানোর ফলে মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা করে। আবার দিনে বেশি ঘুমালে তা রাতের ঘুমে বিঘ্ন ঘটায়।

পিঠ ব্যথা  
লম্বা সময় শুয়ে থাকলে পিঠেও সমস্যা হতে পারে, যা পরে ভোগায়।

হতাশার জাল  
অতিরিক্ত ঘুম নির্দিষ্ট ঘুম নষ্ট করে দেয়। দিনে বেশি ঘুমালে রাতে ভালো করে ঘুমাতে পারবেন না এবং প্রতিনিয়ত রাত জাগা নিজেকে হতাশার দিকে ঠেলে দেবে।

হার্টে সমস্যা  
অতিরিক্ত ঘুমের কারণে হার্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে। 'দ্য নার্সেস হেলথ স্টাডি' করা হয়েছিল ৭২ হাজার নারীর ওপর। তাতে দেখা যায়, ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা ঘুমানো একজন নারী সাধারণ নারীর তুলনায় ৩৮ শতাংশ বেশি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন।

মৃত্যুঝুঁকি  
গবেষণায় আরো দেখা গেছে, রাতে ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা ঘুমানোদের মৃত্যুহার সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি।

ঘুমের উপকারিতা
যদি প্রতি রাতে গড়ে সাত অথবা নয় ঘণ্টার বেশি ঘুমানোর অভ্যাস হয়ে তাহলে বিশ্রাম ও স্বস্তি হয়। ফলে বড় কোনো কাজের জন্য মানসিক প্রস্ততি নেয়া সহজ হয়। সারাদিনের কাজ, রাস্তার যানজট, ঝামেলা এ সবকিছু থেকেই তৈরি হয় স্ট্রেস আর তা দূর করতে ঘুমের চেয়ে কার্যকরি আর কিছুই হতে পারে না। ঘুম বেশি হলে বরং ওজন কমে।

আরো পড়ুন

এস/সি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • লাইফস্টাইল এর সর্বশেষ
  • লাইফস্টাইল এর পাঠক প্রিয়