spark
logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ২৯ আষাঢ় ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৪৭ জন, আক্রান্ত ২৬৬৬ জন, সুস্থ হয়েছেন ৫৫৮০ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শীতে গৃহসাজ ও গৃহের যত্ন

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ২০ অক্টোবর ২০১৮, ১১:৫৭ | আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০১৮, ১২:৩২
হেমন্তের হাসি প্রকৃতিকে আকর্ষণীয় করেছে, চারিদিকে এখন নতুন আমেজ। আবহাওয়া একটু একটু করে ঠাণ্ডা হতে শুরু করেছে। মানুষের ব্যস্ততার ধরন বদলেছে। কিছু দিন পর আসবে শীত ঋতু। দূর্বার ডগায় শিশির জমবে, সূর্যের কিরণে তা চিকচিক করবে। ধূসর কুয়াসার বুক চিরে উঁকি দেবে প্রকৃতি। পোশাক ও সাজসজ্জায় আসবে পরিবর্তন। তবে নিজেদের সাজসজ্জার সঙ্গে সঙ্গে গৃহসজ্জার প্রতিও যে গুরুত্ব  দেওয়া চাই। তাই এখন থেকে শীতের গৃহসজ্জার প্রস্তুতি নেওয়া দরকার। চলুন জেনে নিই শীতে গৃহসজ্জা ও গৃহের যত্ন কেমন হবে-

শীতের শুরুতেই বাসার সব আসবাব-পত্রগুলো মুছে রোদে শুকান। আপনার পুরানো ফার্নিচার দিয়েই বাসা নতুন আঙ্গিকে সাজাতে পারেন। ফার্নিচারগুলো আকর্ষণীয় করতে নতুন করে রঙ বা পলিশ করে নিন। শীতে সবকিছু ধোয়া সম্ভব হয় না তাই ভ্যাকুয়াম ক্লিনার এবং ফার্নিচার ডাস্টার দিয়ে বাসার সব কিছু পরিষ্কার করে নিন। বাসার দেয়াল নতুন করে রাঙাতে পারেন। পুরানো দেয়ালে স্টিকার যুক্ত করে নতুনত্ব দিতে পারেন।

শীতকালে মশার উপদ্রব বেড়ে যায় তাই বাড়িঘর বিশেষ করে পর্দা ও বাড়ির বিভিন্ন আঙিনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা উচিত। বাসার পর্দাগুলো যেহেতু অন্যতম সৌন্দর্য বহন করে, সুতরাং শীত আসার পূর্বে এগুলো ভালোভাবে পরিস্কার করে নিন। পর্দা একই সঙ্গে বাতাস নিয়ন্ত্রণ করে ও ধুলোবালি থেকে ভেতরের পরিবেশ রক্ষা করে। সুস্থ থাকতে ও এলার্জির সমস্যার সমাধানে সচেতন থাকতেও ঘরবাড়ি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা দরকার।

কার্পেটের ব্যবহারে বাসার সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলুন। এক্ষেত্রে বাসার মেঝের রঙের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কার্পেট ব্যবহার করুন। কার্পেটের ব্যবহার করে বাসাকে রাজমহল রূপে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব। বাজারে ভিক্টোরিয়ান নানা ডিজাইনের কার্পেট কিনতে পাওয়া যায়। কার্পেটের ডিজাইন আকর্ষণীয় করে তুলতে ডিজাইনের সঙ্গে মিল রেখে ঝাড়বাতি ও দেয়ালবাতি ব্যবহার করুন।

শীতকালে কাপড় ঠাণ্ডা ও ভেজা ভেজা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে কাপড় সংরক্ষণের পূর্বে ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে ইস্ত্রি করে রাখা উচিত। না হলে পোকা সংক্রমণ হতে পারে। যেসব পোশাক নিয়মিত ব্যবহার করা হয় না তা উন্মুক্ত স্থানে না রেখে ঢাকনাসহ কাভার্ডে রাখা উচিত।

শীতে আলোকসজ্জায় পরিবর্তন আনা যায়। অন্যান্য মৌসুমে বাসার তাপমাত্রা বাড়ার ভয়ে আমরা ইন্টেরিয়র করা ডেকোরেটিভ অথবা সিলিং এর লাইটগুলো জ্বালাতে দ্বিধা বোধ করি। তবে শীতে সহজেই আলোর পূর্ণতা দেয়া যায়। পরিপূর্ণ আলো বাসার সৌন্দর্য যেমন বাড়িয়ে দিবে তেমনি বাসাকে গরম করে তুলবে। আকর্ষণীয় আলোর সৌন্দর্য পেতে চাইলে কিছু শেডযুক্ত ঝুলন্ত লাইট বিভিন্ন স্থানে ঝুলিয়ে আলোকসজ্জায় নতুনত্ব আনতে পারেন। মাঝে মাঝে ফ্লেমলেস ক্যান্ডেল দিয়ে সাজিয়ে বাসাকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।

বাসায় সবুজ আঙিনা বা ছাদ কৃষি থাকলে এখন থেকে বাড়তি যত্ন করুন। শীত মৌসুমে বাতাসের আদ্রতা বেশি থাকায় প্রকৃতির মাঝে শুষ্কতা নেমে আসে। তাই ছাদ বা বাগান কৃষিতে পানির ব্যবহার বাড়িয়ে অধিক যত্ন নিন। নিজের বাগানে ফুল ফুটলে তা দিয়েও বাসা সাজিয়ে আকর্ষণীয় ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। ড্রইং ও ডাইনিং রুমে ফুলের ব্যবহার সৌন্দর্য বহুগুনে বাড়িয়ে তোলে।

বাসায় একটি আলাদা জোন তৈরি করুন। যেখানে বই থাকবে। আপনার একাকী মুহূর্তগুলো এখানে পার করতে পারবেন। তবে গেস্ট রুমের পাশে হলে ভালো হয়। বই আপনার আড্ডা, আলোচনায় আলাদা মাত্রা যোগ করবে।

আরও পড়ুন :

জিএ/এমকে

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ১৮৩৭৯৫ ৯৩৬১৪ ২৩৫২
বিশ্ব ১২৮৫৯০৩০ ৭৪৯৩৭৭৪ ৫৬৭৯৬১
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • লাইফস্টাইল এর সর্বশেষ
  • লাইফস্টাইল এর পাঠক প্রিয়