logo
  • ঢাকা রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ :

  ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৩:২৩
আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:০৮

তুরস্কে স্বপ্নে পাওয়া ঐতিহাসিক সেই স্থানটি এখন সবার জন্য উন্মুক্ত

আরটিভি নিউজের সংগৃহীত ছবি #আরটিভি #নিউজ #অনলাইন
আরটিভি নিউজের সংগৃহীত ছবি

ভ্রমণ পিপাসু মানুষদের জন্য তুরস্ক হতে পারে প্রথম পছন্দের জায়গা। তুরস্কে বেশ কিছু প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে। পর্যটকদের জন্য তুরস্কের ঐতিহ্যবাহী ৫ দর্শনীয় জায়গার বিবরণ সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হলো-

সোমেলা আশ্রম: তুরস্কের কৃষ্ণ সাগরে উপকূলগুলোয় দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে সভ্যতার আড়ালে থাকা ‘সুমেলা আশ্রম’। এটি সভ্যতার মধ্যে খ্রিস্টানদের ঐতিহ্যবাহী একটি স্থান। অর্থোডক্সের ইতিহাসে এর গুরুত্ব ছাড়াও অন্যতম হলো ভার্জিন কাঠের সবুজ পাহাড়ে অবস্থান করা আশ্রমটি কার্দাজ মাউন্টের প্রায় ৯০ ডিগ্রিতে নির্মিত। দুই জন স্বপ্নে জায়গাটির সন্ধান পাওয়ার পর একে অপরের কাছে ছুটে যায় এবং জায়গাটিকে পবিত্র আশ্রমে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৮ সালে আশ্রমটি জনসাধারণের জন্য খোলা হয়।

প্রাচীন শহর আনি: তুরস্কের প্রাচীন একটি শহর ‘আনি’। শহরকে ব্যক্তিগত প্রিয়-ও বলা হয়। এছাড়াও ১০০১টি গীর্জার শহরও বলা হয়ে থাকে। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী তালিকার ২০১ এ জায়গা করে নেয়। শহরটির মূল খ্যাতির পেছনে ইস্টার্ন এক্সপ্রেস ট্রেনের বাণিজ্যিকীকরণ। আঙ্কারা থেকে কার্স পর্যন্ত ১ হাজার ৩শ’ কিলোমিটারের দর্শনীয় ট্রেনের রাস্তাটি বিশেষভাবে তুরস্কের তরুণদের বেশি আকর্ষণ করে। এ শহরটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম শহরগুলির মধ্যে একটি।

ইহলারা উপত্যকা: তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রকের মতে ২০১৯ সালে এ উপত্যকাটি দেশের সর্বাধিক পরিদর্শনে ষষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বিশ্ববিখ্যাত কাপাডোসিয়া অঞ্চলের পশ্চিমে অবস্থিত ইহলারা উপত্যকা। ঐতিহাসিক গুরুত্ব ছাড়াও দেশটির কিছু চমকপ্রদ উদ্ভিদ এবং প্রাণীজন্তু রয়েছে এখানে। এর পূর্ব বাসিন্দারা ছিল রোমান থেকে প্রত্যাখ্যাত হওয়া খ্রিস্টান। ১০৫টি গির্জার মধ্যে ১৪টি দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত। চার্চগুলো কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ বহন করে এবং এর দেওয়ালে তুলে ধরা হয়েছে যীশু খ্রিস্টের জীবনের চিত্রগুলো। উপত্যকাটির দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার এবং প্রশস্ত ২০০ মিটার (৬৫৬ ফুট)।

ভূগর্ভস্থ শহর ডেরিনকুয়ু: মাটির নিচে শিলাস্তর ভেদ করে গড়ে তোলা এক নগরীর নাম ডেরিনকুয়ু। জীবন পরিচালনার যাবতীয় ব্যবস্থা ছিল এই শহরে। শহরটি বিশ্বের বৃহত্তম ভূগর্ভস্থ শহরের খেতাবও অর্জন করেছে। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬০-৮০ মিটার নিচে অবস্থিত এই শহরটির নকশা দেখার মতো। ভূগর্ভস্থ এই শহরে প্রবেশের জন্য প্রায় ৬০০টির মতো দরজা ছিল এবং বায়ু প্রবেশের জন্য ছিল ১৫শ’টি চোঙা।

কায়াক্য শহর: এটি ছিল এক ধনী অটোমান গ্রাম, যেখানে অধিকাংশ গ্রীক লোক বসবাস করত। ১৮ এবং ২০ শতকের মধ্যকার সময়ে গ্রামটি ছিল স্বর্ণযুগে। ১৯২৩ সালে লসান কনভেনশনের অংশ হিসেবে তুরস্ক এবং গ্রিসের মধ্যে জনসংখ্যা বিনিময় শুরু হয়। তখন জনসংখ্যা বিনিময়ের জন্য সকলে গ্রিসে চলে যায় এবং এতে করে শহরটি ভূতুরে পরিবেশে পরিণত হয়।

সূত্র : ডেইলি সাবাহ

এসআর/ এমকে

RTV Drama
RTVPLUS