logo
  • ঢাকা সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭

গাঁজা সেবনের মতোই ই-সিগারেট: গবেষণা

ফাইল ছবি

ইলেক্ট্রনিক সিগারেটে (ই-সিগারেট) ধূমপান শ্বাস-প্রশ্বাসের ভয়ঙ্কর ক্ষতি হয়ে থাকে, এর আগে বিষয়টি নিয়ে খুব আলোচনা হয়নি। সম্প্রতি নতুন কিছু গবেষণায় ই-সিগারেটে ধূমপানের ক্ষতির বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

গত ২২ ডিসেম্বর জেএমএ নেটওয়ার্ক ওপেন জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যে কোনো ফ্রিকোয়েন্সিতে ব্রঙ্কাইটিসের (শ্বাসনালীর ভেতরে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ) লক্ষণের সাথে ই-সিগারেট জড়িত।

২০১৯ সালের শেষ দিকে ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল সংস্থা (সিডিসি) একটি বর্ণনা দিয়েছে। সেখানে ই-সিগারেট ফুসফুসে আঘাতের মতো মারাত্মক ক্ষতির রহস্য তুলে ধরেছে। গাঁজা সেবন ও ই-সিগারেট পানে ক্ষতির দিকগুলোর সামঞ্জস্য রয়েছে। তবে এ বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা করা প্রয়োজন।

সিডিসির তথ্য মতে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে ওয়াশিংটন ডিসি, পুয়ের্তো রিকো এবং ইউএস ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জের ৫০টি রাজ্যের ২ হাজার ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ ‘ইভিএএলআই’র জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তবে তারা সুস্থ হয়েছিলেন না কি মারা গেছে তা উল্লেখ করা হয়নি ওই বর্ণনায়।

ই-সিগারেটে থাকা লিকুইড দ্রবণ তাপ উৎপাদন করে এবং তা অ্যারোসোলে রূপ নেয়। যা বাষ্প হয়ে বুকে প্রবেশ করে। নিকোটিন হচ্ছে এক প্রকার নেশা জাতীয় দ্রব্য। যা মানুষের মস্তিষ্কের মধ্য স্নায়ুতে উদ্দীপক হিসেবে বিরাজ করে এবং মানবদেহে রক্তচাপ, শ্বাসপ্রশ্বাস এবং হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি করে। পিজি কসমেটিকস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উপাদানটি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্টুডিও এবং কনসার্টে কৃত্রিম ধোঁয়া তৈরি করা হয়। এটি ফুসফুসে প্রবেশ করলে অ্যাজমা ও এমপাইসিমার মত রোগ হয়। এমনকি চোখেরও সমস্যা হয়। ই-সিগারেটে থাকা ধোঁয়া তৈরির তরল শরীরে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটায়। যা বাজারে পাওয়া সচরাচর সিগারেটেও এত ক্ষতি করে না বলে জানিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপক বেনোউইটজ।

সূত্র: সিএনএন

এসএল/এমকে

RTV Drama
RTVPLUS