logo
  • ঢাকা রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ১৩ মাঘ ১৪২৭

১০ হাজার কনস্টেবল নেবে পুলিশ

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক
|  ১০ মার্চ ২০১৭, ১৭:৪১ | আপডেট : ১০ মার্চ ২০১৭, ১৭:৪৮
 

৮ হাজার ৫০০ পুরুষ ও ১ হাজার ৫০০ নারী মোট ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ দেয়া হবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে। ৮-১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় বাছাই প্রক্রিয়া চলবে। 

প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলায় শারীরিক মাপ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শেষে বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া তারিখ অনুযায়ী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

প্রার্থীর বয়স : সাধারণ/অন্যান্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ০১/০৪/২০১৭ তারিখে বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২০ বছর (০২/০৪/১৯৯৯ হতে ০২/০৪/১৯৯৭ এর মধ্যে জন্ম)। মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে ০১/০৪/২০১৭ তারিখে ৩২ বছর হতে হবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ২.৫, বাংলাদেশি নাগরিক ও অবিবাহিত হতে হবে।

শারীরিক মাপ : সাধারণ ও অন্যান্য কোটা পুরুষের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি, মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুরুষের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, উপ-জাতীয় কোটা পুরুষের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। নারী প্রার্থীদের সকল কোটা ৫ ফুট ২ ইঞ্চি।

শারীরিক মাপ ও পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সময় সঙ্গে রাখতে হবে : শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র/সাময়িক সনদপত্রের মূল কপি। ইউনিয়ন পরিষদের পরিষদের চেয়ারম্যান/সিটি করপোরেশন বা পৌরসভার মেয়র/ওয়ার্ড কাউন্সিলর থেকে নেয়া স্থায়ী নাগরিকত্বের সনদপত্রের মূল কপি। প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি (যদি না থাকে মাতা/পিতার পরিচয়পত্রের মূল কপি)। সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত ৩ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

পরীক্ষার ফি ১০০ টাকা। ১-২২১১-০০০০-২০৩১ নম্বর কোডে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দেয়ার পর চালানের কপি আবেদনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের ক্ষেত্রে পিতা/মাতা/পিতামহ/ মাতামহের নামে ইস্যুকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্রের মূল কপি যা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর সই করা ও প্রতি সই করা হতে হবে।

পুলিশ পোষ্য কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে পিতা/মাতার নাম, পদবি, বিপি নম্বরসহ কর্মরত ইউনিটের প্রধান কর্তৃক প্রত্যয়নপত্রের মূল কপি সঙ্গে আনতে। আনসার ও ভিডিপি কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪২ দিন মেয়াদী প্রশিক্ষণের মূল সনদপত্র আনতে হবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি : নির্ধারিত তারিখ, সময় ও স্থানে দৌড়, রোপিং ও জাম্পিং ইত্যাদি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পরে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে (ন্যূনতম ৪৫% মার্ক যারা পাকেন তাদেরকে উত্তীর্ণ বলে গণ্য করা হবে)। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর ২০ নম্বরের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি : লিখিত মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিবেচিত হলে প্রশিক্ষণের জন্য প্রাথমিকভাবে মনোনীত করা হবে।

প্রশিক্ষণকালীন সুবিধা : প্রশিক্ষণকালীন বিনামূল্যে পোশাক সামগ্রীসহ থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসার সুবিধা দেয়া হবে এবং ৭৫০/-টাকা হারে প্রশিক্ষণ ভাতা দেয়া হবে।

নিয়োগ ও চাকরির সুবিধাদি : প্রশিক্ষণ শেষ হবার পর ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের ১৭তম গ্রেড (৯০০০-২১৮০০) টাকা ও অন্যান্য বেতন-ভাতাদিসহ পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল পদে নিয়োগ করা হবে। বিনামূল্যে পোশাক সামগ্রী ঝুঁকি ভাতা, চিকিৎসা ভাতা সহ রেশন সামগ্রী স্বল্প মূল্যে দেয়া হবে।

কে/ এসজে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • চাকরি বাজার এর সর্বশেষ
  • চাকরি বাজার এর পাঠক প্রিয়