logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২০, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২৩৮১ জন, সুস্থ হয়েছেন ৮১৬ জন, নমুনা পরীক্ষা ১১৪৩৯টি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রযুক্তির সহায়তায় মৃত মেয়ের সঙ্গে মায়ের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩:৩২ | আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:৩৯
Mother 'reunited' with dead daughter on South Korean VR show
ছবি সংগৃহীত
দক্ষিণ কোরিয়ার একটি টেলিভিশন উন্নত ভার্চুয়াল বাস্তবতার মাধ্যমে একজন মা এবং তার মৃত মেয়ের মধ্যে অশ্রুসজল পুনর্মিলনের সুযোগ করে দিয়েছে। ওই ঘটনা ইন্টারনেটে ঝড় তুলেছে। বিপরীতে তীব্র বিতর্কও তৈরি হয়েছে।

ফুটেজের শুরুতে দেখা যায়, একটি মেয়ে একটি পার্কে কাঠের স্তূপের পেছন থেকে বের হচ্ছে, যেন সে লুকোচুরি খেলছে। ওই মেয়েটি, মা, তুমি কোথায়? বলে ডেকে ওঠে। আমি তোমাকে অনেক মিস করেছি। তুমিও কি আমাকে মিস করেছো? ২০১৬ সালে লিউকেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মেয়েটি মারা যায়।

জাং জি-সাং নামের ওই মা যখন তার ‘মেয়ের’ কাছে পৌঁছান তখন তার দুই চোখে অশ্রুর বন্যা বইছিল। কম্পিউটার-জেনারেটেড ছয় বছর বয়সী শিশুটিকে তিনি বলেন, আমি তোমাকে মিস করেছি, না-ইয়ুন। এসয় তিনি শিশুটির চুলে হাত বোলাতে থাকেন।

কিন্তু বাস্তবে, জাং একটি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি হেডসেট ও টাচ-সেনসিটিভ গ্লাভস পরে একটি স্টুডিও’র সবুজ পর্দার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। আর তার গলায় একটি লকেট ছিল, যেটির ভেতর তার মেয়ের সৎকার করা ছাই ছিল।

ক্যামেরায় মাঝে মধ্যে জাংয়ের স্বামী এবং তাদের তিন সন্তানকে দেখানো, যারা এসময় কাঁদছিল। মুনহওয়া ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের ‘আই মেট ইউ’ নামের ৯ মিনিটের ওই ডকুমেন্টরিটি ইউটিউবে এখন পর্যন্ত ১৪ মিলিয়নের বেশি দেখা হয়েছে। অনেকেই জাংয়ের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে এবং এটির সমর্থন করেছে।

একজন বলেছেন, দুই বছর আগে অনাকাঙ্খিতভাবে আমার মা মারা যায়। আমি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির মাধ্যমে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই।

যদিও মিডিয়া কলামিস্ট পার্ক সাং-হিউন বলছেন, এই ডকুমেন্টরি ব্যক্তিগত কষ্টের অপব্যবহারের সমান। একজন দুঃখ ভারাক্রান্ত মা তার মৃত মেয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইবেন, যা বোধগম্য। আমি হলেও এমনটা করতাম।

কিন্তু ব্রডকাস্টার ভিউয়ার রেটিংয়ের জন্য সন্তান হারানো ওই মায়ের দুর্বলতার সুযোগ নিয়েছে। যদি ডকুমেন্টরিটি তৈরির আগে ওই মাকে কাউন্সিল করা হতো, আমার মনে হয় না কোনও সাইক্রিয়াট্রিস্ট এটার অনুমতি দিতো।

ভার্চুয়াল না-ইয়ুনকে তৈরি করতে প্রায় আট মাস লেগেছে। আর ওই ‘পরিবারকে সান্ত্বনা’ দিতেই এই ডকুমেন্টরি তৈরি করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে এর নির্মাতারা।

এ/পি

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৪৯৫৩৪ ১০৫৯৭ ৬৭২
বিশ্ব ৬২৬৩৯১১ ২৮৪৬৭১৩ ৩৭৩৮৯৯
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ
  • আন্তর্জাতিক এর পাঠক প্রিয়