logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

পাপুয়া নিউ গিনিতে নারী-শিশুসহ ২৪ জনকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
|  ১০ জুলাই ২০১৯, ১৩:২২ | আপডেট : ১০ জুলাই ২০১৯, ১৩:৩৪
পাপুয়া নিউ গিনি
ছবি: সংগৃহীত
পাপুয়া নিউ গিনিতে একটি উপজাতি এলাকায় গর্ভবতী নারী ও শিশুসহ ২৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে। দেশটির হেলা প্রদেশে বিরোধী উপজাতি গ্রুপের মধ্যে গত কয়েকদিনের এই সহিংসতায় ওই ব্যক্তিরা হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তবে কিছু কিছু রিপোর্টে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভয়াবহ ওই হত্যাকাণ্ডের পর পাপুয়া নিউ গিনির প্রধানমন্ত্রী জেমস মারাপে এটিকে ‘তার জীবনের অন্যতম বিমর্ষ দিন’ বলে উল্লেখ করেছেন। এসময় তিনি অপরাধীকে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

গত কয়েক বছরের মধ্যে পাপুয়া নিউ গিনিতে এটিই সবচেয়ে ভয়াবহ উপজাতি সহিংসতা। এদিকে কী কারণে ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ২০ বছরের বেশি সময় আগে ওই অঞ্চলে কয়েকটি গোত্রের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

হেলা প্রদেশের প্রশাসক উইলিয়াম বান্দো বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলটি বেশ দুর্গম। তিনি বলেন, সেখানে ২৪ জন নিহত হয়েছে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় বার্তা সংস্থা ইএমটিভি জানিয়েছে, প্রদেশের তারি-পোরি জেলার দুটি গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।

তারা জানায়, রোববার মুনিমা গ্রামে চারজন পুরুষ ও তিনজন নারীকে হত্যা করা হয়। সোমবার কারিদা গ্রামে ১৬ জন নারী ও শিশুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে দুজন গর্ভবতী নারী ছিলেন বলেও জানায় তারা।

কারিদার সাব-হেলথ সেন্টারের প্রধান ফিলিপ পিমুয়া হামলার সময় ওই গ্রামেই ছিলেন। তিনি বলেন, ভোরে ঘরে ঢুকে ঢুকে মানুষকে হত্যা করে হামলাকারীরা।

পিমুয়া বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে যাই। এসময় গুলির শব্দ কানে আসে। দেখি কয়েকটি ঘর জ্বলছে। বুঝে যাই শত্রুরা গ্রামে ঢুকেছে। নিজেকে বাঁচাতে জঙ্গলে আশ্রয় নেই। ৯-১০টার দিকে ফিরে এসে দেখি লাশ পড়ে রয়েছে এবং ঘরবাড়ি জ্বলছে।

নিহতদের সবাইকে চেনেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা আমার লোক। অধিকাংশের শরীর টুকরো টুকরো করা হয়েছে। মাথা শরীর থেকে আলাদা। কার শরীর কোনটা সেটি শনাক্ত করতে পারছি না।

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়