logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ফণীর আশঙ্কায় উপকূল থেকে মানুষ সরিয়ে নিচ্ছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন
|  ০২ মে ২০১৯, ১২:১৯ | আপডেট : ০২ মে ২০১৯, ১২:৫৪
ছবি: যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম বিবিসি

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী আঘাত হানতে পারে এই আশঙ্কায় ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের গ্রামগুলো থেকে প্রায় কয়েক লাখ মানুষ সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে ভারতের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম বিবিসি।

এতে বলা হয়, ২০০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে দেশটির উড়িষ্যার দিকে এগিয়ে যাওয়া এই ঘূর্ণিঝড় শুক্রবার রাজ্যটিতে আঘাত হানতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে পূর্ব উপকূলের দুটি প্রধান বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া নিচু অঞ্চলের মানুষকে সরিয়ে নিতে কাজ করছে উদ্ধারকর্মীরা।

অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু রাজ্যেও উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ভারতের যেসব অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী

ঘূর্ণিঝড়টি এখন অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্বে বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

উড়িষ্যার রাজধানী ভুবনেশ্বরে অবস্থিত আবহাওয়া কেন্দ্রের পরিচালক এইচআর বিশ্বাস বলেন, কমপক্ষে ১১টি জেলায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি। তাই এখানকার মানুষদেরকে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে।

ভারতের ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটিও দেশটির পূর্ব উপকূলের মানুষদেরকে, বিশেষ করে জেলেদেরকে সতর্ক করেছে। পরিস্থিতি বিপজ্জনক হওয়ায় তাদেরকে সমুদ্রে অবস্থান না করতে বলা হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, খড় দিয়ে ছাওয়া ঘরগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এছাড়া অন্যান্য স্থাপনা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবে।

ভারতের উত্তরপূর্ব অঞ্চলে আঘাত হানার পর ঘূর্ণিঝড়টি শনিবার অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে বাংলাদেশের চট্টগ্রামের দিকে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

বন্দর নগরী কক্সবাজারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এখানকার ক্যাম্পগুলোতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা কয়েক মিলিয়ন রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে।

কিভাবে প্রস্তুত হচ্ছে ভারত?

ভারতীয় কর্মকর্তারা বলছে, তারা ৮৫০টির বেশি আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এগুলোতে প্রায় এক মিলিয়ন মানুষকে আশ্রয় দেয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া দেশটির নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সকে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, উপকূলীয় শহরগুলো থেকে ছেড়ে যাওয়া এবং এসব শহরগামী প্রায় ৮১টি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

ভারতের সরকার চলমান নির্বাচনে মধ্যেও যেন সরকার ত্রাণকার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে সেজন্য দেশটির নির্বাচন কমিশনের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।

গত মাসে শুরু হওয়া বহু-দফার নির্বাচনের মাঝামাঝি আছে দেশটি।

স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বর্তমান সরকারের বেশকিছু ক্ষমতা স্থগিত আছে যেন তারা নির্বাচন চলাকালে নতুন নতুন প্রকল্প ঘোষণা করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে না পারে।

কে/এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ
  • আন্তর্জাতিক এর পাঠক প্রিয়