Mir cement
logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ জুন ২০২১, ১ আষাঢ় ১৪২৮

অটোরিক্সায় ওয়াইফাই-ল্যাপটপ, চালকের মাসে আয় লক্ষাধিক

অটোরিক্সায় ওয়াইফাই-ল্যাপটপ, চালকের মাসে আয় লক্ষাধিক
সংগৃহীত ছবি

ভারতের চেন্নাইয়ের এক চালকের অটোতে উঠতে রীতিমতো আগে থেকেই আসন বরাদ্দ দিয়ে রাখতে হয়। যাত্রীরা লাইনেও দাঁড়িয়ে থাকেন। তবুও অনেকেই আসন পান না।

এই অটোর প্রধান আকর্ষণ হলো অতিরিক্তি পরিষেবা। এটিতে খবরের কাগজ, দেশি-বিদেশি পত্রিকা, ওয়াই-ফাই, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, ছোট টেলিভিশন, চিপস, স্ন্যাকস, পানি, কফি, ডাবের পানি, মাস্ক, স্যানিটাইজার এবং ছাতাসহ যাত্রীদের মনোরঞ্জনের জন্য নানা ব্যবস্থা রয়েছে। আর এসব সুবিধা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পেয়ে থাকেন আরোহণকারীরা।

৩৭ বছর বয়সী অটোচালকের নাম আন্না দুরাই। তিনি চেন্নাইয়ের মহাবলীপুরম রোডে অটো চালান। তার এই পরিবহনে সর্বোচ্চ ছয় জন যাত্রী একসঙ্গে যাতায়াত করতে পারেন। যাত্রাপথে সীমিত যাত্রীদের নিয়ে এসব সুবিধার কথা ভাবলেন কী ভাবে? তার অটোতে ওঠার চাহিদা এত বেশি কেনো?

আন্না বলেন, প্রথম দিন থেকে তিনি গ্রাহকদের সন্তুষ্ট করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতার প্রেক্ষিতেই আজকের এই অবস্থান। প্রথমে অটোতে কেবল খবরের কাগজ রাখতেন জানিয়ে তিনি বলেন, এখন যাত্রীরা চাইলে ছাতাও ধার নিতে পারেন। চেন্নাইয়ের আবহাওয়াটাই এমন- যখন তখন বৃষ্টি। অনেক সময় দেখা যায় যাত্রীরা অটো থেকে নেমে ভিজে যাচ্ছেন। সে জন্যই ছাতার স্ট্যান্ড রেখেছি।

কিন্তু ছাতা ফেরত আসে কীভাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে আন্না বলেন, আশপাশের বিভিন্ন দোকানের সঙ্গে অলিখিত চুক্তি আছে। যেন পরবর্তীতে যাত্রীরা দোকানগুলোতে ছাতা জমা দিয়ে যেতে পারেন। কারণ, ওই যাত্রী অটোতে দ্বিতীয়বার নাও উঠতে পারেন।

একইভাবে যাত্রীদের কথা ভেবে ল্যাপটপ, ওয়াই-ফাই ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা। যেন যাত্রাপথে তারা নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারে। চিপস ও চকোলেট রাখা হয়েছে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য।

আন্না জানিয়েছেন, প্রতিদিন অন্তত ১০০ যাত্রীকে পরিষেবা দেন তিনি এবং মাসিক গড় আয় ১ লাখ ১৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে যাত্রীদের পেছনে ব্যয় হয় ১৯ হাজার টাকা। সূত্র : এনডিটিভি

টিএস

RTV Drama
RTVPLUS