Mir cement
logo
  • ঢাকা শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাঢ় ১৪২৮

২০২৯ সালেই যাত্রীসমেত আকাশে উড়বে সুপারসনিক বিমান

২০২৯ সালেই যাত্রীসমেত আকাশে উড়বে সুপারসনিক বিমান
সংগৃহীত ছবি

শব্দের চেয়ে দ্রুতগতির সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান চালু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান সংস্থা ইউনাইটেড। ২০২৯ সালের মধ্যে যাত্রী পরিবহনে এ বিমান উড়াতে চায় তারা। এ জন্য তারা ১৫টি নতুন বিমান কেনার পরিকল্পনাও নিয়েছে।

এমন বিমান তৈরি করবে ডেনভারভিত্তিক কোম্পানি বুম। তাদের তৈরি করা নতুন এমন সুপারসনিক বিমানের নাম দেয়া হবে ‘ওভারচার’। এটি ম্যাক ১.৭ নামেও পরিচিত। এর আগে সুপারসনিক গতির বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা করেছে এয়ার ফ্রান্স এবং বৃটিশ এয়ারওয়েজ। এক্ষেত্রে তারা ব্যবহার করেছে কনকর্ড বিমান।

কিন্তু ২০০৩ সালে ওই বিমানটিকে বসিয়ে রেখে এ যাত্রা ভঙ্গ করা হয়। তারপর আর কোনো সুপারসনিক যাত্রীবাহী বিমান আকাশে ওড়েনি। এরপর এমন পরিকল্পনা নিয়েছে ইউনাইটেড।

সুপারসনিক গতির বিমান শব্দের গতির চেয়েও দ্রুত ভ্রমণ করে। শব্দের গতিতে এটি ৬০ হাজার ফুট বা ১৮ হাজার ৩০০ মিটার উচ্চতা দিয়ে উড়ে যায়। সুপারসনিক বিমানের গতি প্রতি ঘন্টায় ৬৬০ মাইলেরও বেশি। পক্ষান্তরে একটি সাধারণ বিমান ঘন্টায় অতিক্রম করে ৫৬০ মাইল। তবে ওভারচারের গতি ঘন্টায় ১১২২ মাইল বা ১৮০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই গতিতে লন্ডন থেকে আটলান্টিকের ওপর দিয়ে নিউইর্য়ক যেতে বর্তমানে যে সময় লাগে তার চেয়ে অর্ধেক সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুম-এর বক্তব্য অনুযায়ী, তিন ঘন্টা কমিয়ে সাড়ে তিন ঘন্টায় ভ্রমণ করা সম্ভব হবে। এতে তিন ঘন্টা সময় বাঁচবে এ রুটে।

কিন্তু সুপরিসনিক ফ্লাইটের দুইটা প্রধান সমস্যা আছে। শব্দ আর দূষণ। এর গতি এবং শব্দের কারণে গমগম শব্দ হয়। এই শব্দের তীব্রতা এত বেশি যে, তা মাটি থেকে শোনা যায়। মনে হয় কোথাও বিস্ফোরণ হচ্ছে অথবা বজ্রপাত হচ্ছে। এ কারণেই কোম্পানির নাম দেয়া হয়েছে বুম। ভ্রমণের সময়ও এ বিমানের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সমুদ্রের ওপর থাকা পর্যন্ত গতি কমিয়ে রাখতে হয়। এর অতিরিক্ত শব্দের কারণে সাধারণ জনগণের বিরক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র : বিবিসি

টিএস

RTV Drama
RTVPLUS