Mir cement
logo
  • ঢাকা রোববার, ২০ জুন ২০২১, ৬ আষাঢ় ১৪২৮

ম্যাগি নুডুলসসহ নিজেদের ৬০ শতাংশ খাদ্যই অস্বাস্থ্যকর, স্বীকার করলো নেসলে

ম্যাগি নুডুলসসহ ৬০ শতাংশ খাদ্যই অস্বাস্থ্যকর, স্বীকার করলো নেসলে
ম্যাগি নুডুলসসহ ৬০ শতাংশ খাদ্যই অস্বাস্থ্যকর, স্বীকার করলো নেসলে

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক আন্তর্জাতিক কোম্পানি নেসলের বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য এখন ঘরে ঘরেই। বিশেষ করে নেসক্যাফে কফি, কিটক্যাট চকলেট এবং ম্যাগি নুডুলস এর ব্যপক প্রচলন সারাবিশ্বেই।

তবে এবার এই ম্যাগি থেকে শুরু করে বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য সংস্থা নেসলে কোম্পানির ৬০ ভাগ পণ্যই খাদ্য এবং পানীয় নিয়েই প্রশ্ন উঠে গেল। কোন নিয়ামক সংস্থা নয়, প্রশ্ন উঠেছে সংস্থার রিপোর্টেই।

নেসলের অভ্যন্তরীণ রিপোর্টে স্বীকার করে নেওয়া হলো যে, নেসলের খাদ্য ও পানীয়ের পোর্টফোলিওর ৬০ শতাংশই স্বাস্থ্যের স্বীকৃত সংজ্ঞা পূরণ করে না। অর্থাৎ এই খাদ্যদ্রব্য গুলি কোনও ভাবেই স্বাস্থ্যকর নয়। খাদ্যদ্রব্যগুলিতে এমন উপাদান রয়েছে যে, চেষ্টা করেও সেগুলো স্বাস্থ্যকর করা সম্ভব নয়। কার্যত বিষয়টা স্বীকার করেই এই পোর্টফোলিও এবার বদলাতে চাইছে নেসলে।

এখানেই শেষ নয় ফিনান্সিয়াল টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, নেসলের তৈরি মাত্র ৩৭ শতাংশ খাদ্য ও পানীয়ের উৎপাদনের রেটিং ৩.৫। অস্ট্রেলিয়ার হেলথ স্টার রেটিং সিস্টেমে এই নম্বর দেয়া হয় ৫-এ। বলাই বাহুল্য বাকি ৬৭ শতাংশের রেটিং অনেকটা কম। কাজেই সেগুলি কতটা স্বাস্থ্যকর এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠার যথেষ্ট অবকাশ থাকছে। নিজেদের রিপোর্টে অবশ্য নেসলের পানি ও দুধকে ভালো রেটিং দেয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির এক মুখপাত্র জানান, বেশ কিছুদিন ধরেই বহু সামগ্রীকে নতুন করে গড়ে তোলার ব্যাপারে নজর দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বহু খাবারের ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ চিনি ও সোডিয়ামের ব্যবহার কমিয়ে ফেলা হয়েছে। পোর্টফোলিও বলছে সব থেকে বেশি ঝুঁকি রয়েছে নেসলের মিষ্টান্ন এবং আইসক্রিমের মধ্যে ৯৯ শতাংশই স্বাস্থ্যের স্বীকৃত সংজ্ঞা পূরণ করেনি।

যদিও বিগত দুই দশক ধরে খাদ্যপণ্যগুলিকে যাতে স্বাস্থ্যকর করে তোলা যায়, যাতে পুষ্টির মান বাড়ানো যায় সেদিকে নজর দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে কোম্পানিটি।

তবে এই বিশ্লেষণে পোষা প্রাণির খাবার, কফি ও নবজাতকের খাবারকে বাদ দেয়া হয়েছে। নেসলের মোট মুনাফার অর্ধেকের বেশিই আসে এগুলো থেকে।

সম্প্রতি পণ্যের মান উন্নত করতে বিশ্বের বড় খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান যেমন– নেসলে, পেপসিকো, ম্যাকডোনাল্ড প্রভৃতিদের ওপর ভোক্তা ও সরকার উভয় পক্ষ থেকেই চাপ বেড়েছে। বিশ্বজুড়ে স্থুলতা ও ডায়াবেটিসে আক্রান্তের হার বেড়ে যাওয়ায় খাদ্য গ্রহণে সতর্ক হতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে প্রচারণাও চালানো হচ্ছে। সূত্র : ব্লুমবার্গ

টিএস

RTV Drama
RTVPLUS