smc
logo
  • ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ কার্তিক ১৪২৭

ভারতে কৃষিপণ্যের উপর সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না, নতুন আইন

  আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

|  ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:১২ | আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৬:২৭
rajya sabha passes essential commodities amendment act
প্রতীকী ছবি
ভারতে কৃষি বিল নিয়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের মধ্যেই কৃষি সংক্রান্ত আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়েছে রাজ্যসভায়। সাড়ে ছয় দশকের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনে‌ সংশোধনী পাস করিয়ে নিয়েছে সরকার। গত ১৫ সেপ্টেম্বর লোকসভায় পাস হওয়ার পর আজ মঙ্গলবার রাজ্যসভাতেও কণ্ঠভোটে পাস হয় এই বিল। খবর আনন্দবাজারের।

চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, তেলবীজ, ভোজ্যতেলের মতো কৃষিপণ্যকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের আওতা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে এই বিলে। রাষ্ট্রপতির সইয়ের পর বিল আইনে পরিণত হলে, এই সব কৃষিপণ্যের উপর আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না সরকার। উঠে যাবে পণ্য মজুতের সর্বোচ্চ সীমাও। সরকারের দাবি, নতুন আইনের ফলে দেশি-বিদেশি বড় সংস্থার বিনিয়োগ আসবে কৃষিক্ষেত্রে।

১৯৫৫ সালে চালু হয় অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইন। সেই আইন সংশোধনের সূত্রপাত হয়েছিল করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ‘আত্মনির্ভর ভারত অভিযান’ প্রকল্পের ঘোষণার সময়। গত ৫ জুন এই সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করেছিল কেন্দ্র। সেই সংশোধনী রাজ্যসভায় পাসের পর রাষ্ট্রপতির সইয়ের অপেক্ষায়। রাষ্ট্রপতি সই করলেই আইনে পরিণত হবে।

এই সব খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ন্ত্রণ অবশ্য পুরোপুরি তুলে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে সরকার এই সব পণ্যের মজুত, বিক্রি বা অন্যান্য বিষয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি হিসেবে অত্যধিক মূল্যবৃদ্ধি, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মতো বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সংশোধনীতে।

বিল নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিতর্কের জবাবে কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা, খাদ্য ও গণবণ্টন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী দানভে রাওসাহেব দাদারাও বলেন, আইন সংশোধনী কার্যকর হলে চাষিরা ফসল উৎপাদন, মজুত, পরিবহণ, বণ্টন ও বিক্রির স্বাধীনতা পাবেন। পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রে বিপুল বিনিয়োগের সম্ভাবনার দরজা খুলে যাবে।

সংশোধনীতে মজুতের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেয়া হয়েছে। মন্ত্রীর দাবি, এর ফলে ফসল উৎপাদনের পর যত সম্ভব মজুত করা যাবে। চাষিদের ফসল নষ্ট বা কম দামে বিক্রির সম্ভাবনা কমবে। তিনি বলেন, এই সংশোধনীতে কৃষক ও উপভোক্তা, দুই পক্ষেরই সুবিধা হবে।

সরকার পক্ষের যুক্তি, ১৯৫৫ সালে আইন প্রণয়নের সময় খাদ্য সঙ্কট ছিল দেশে। বিদেশ থেকে আমদানি করতে হতো। কিন্তু এখন দেশে উৎপাদন বহু গুণ বেড়েছে। আমদানির বদলে এখন খাদ্যশস্য রপ্তানি করে ভারত। প্রতি বছর খাদ্য উদ্বৃত্ত থেকে যায়। কোনও মৌসুমে উৎপাদন বেশি হলে ক্ষতির মুখের পড়েন চাষিরা। এই সব কারণেই অত্যাবশ্যক পণ্য আইনে বদল আনা অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়েছিল।

RTVPLUS
bangal
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ৪০৩০৭৯ ৩১৯৭৩৩ ৫৮৬১
বিশ্ব ৪,৪৩,৫৭,৬৭১ ৩,২৫,০৫,১৫৫ ১১,৭৩,৮০৮
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ
  • আন্তর্জাতিক এর পাঠক প্রিয়