• ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮, ২৯ কার্তিক ১৪২৪

সংলাপে সমাধান না হওয়ায় হতাশ বিশিষ্টজনেরা

নাজিব ফরায়েজী আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:১১ | আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৮, ১৮:৫৭
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বর্তমান সরকারের সংলাপে রাজনৈতিক সংকটের প্রত্যাশিত সমাধান না আসায় হতাশ বিশিষ্টজনরা। তারা বলছেন, এখন সরকারকেই প্রমাণ করে দেখাতে হবে যে, দলীয় সরকারের অধীনে সব ধরনের প্রশ্ন ও নিয়ন্ত্রণের  ঊর্ধ্বে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। এজন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে সৎ ও নৈতিকভাবে দায়িত্ব পালন করে সব দলের আস্থা অর্জনের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। 

ডক্টর কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতে শান্তির সুবাতাস নিয়ে আসে। প্রথম দফায় সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় বসতে হয় দ্বিতীয় দফায়। কিন্তু সেখানেও ঐক্যমতে পৌঁছাতে পারেননি তারা।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা সুলতানা কামাল বলেন, সংলাপে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। সরকারের সঙ্গে বিরোধী দলের বৈঠকটি আমরা ইতিবাচকভাবে দেখেছিলাম। আমরা ধারণা করেছিলাম সরকার বিরোধীদলের কোনও কোনও দাবি মেনে নেবে। এতে বিরোধী দল আশ্বস্ত হতো যে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে সরকার পক্ষের সমর্থন রয়েছে। নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সরকার যেমন সর্মথন দেবে। ঠিক একইভাবে একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন সুষ্ঠু করা।

কিছুটা ভিন্নমত জানিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, নির্বাচন যেন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, নির্বাচনে যেন কোনো ভোট চুরি না হয়, ভোটারা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে। সে ব্যবস্থা সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকেই করতে হবে।    

এই দুই বিশিষ্টজনই বলেছেন, সরকার নির্বাচনকে প্রভাবিত করবে না, সেটা সরকারকেই প্রমাণ করতে হবে। আর গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে নির্বাচন কমিশনকেই।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরও আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর অনেক বিষয়ে সমঝোতা হতে পারে বলে মানে করেন এই বিশ্লেষক।   

 

 

আরসি/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়