logo
  • ঢাকা বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ইন্ডেমনিটি আইন নিয়ে মঞ্চ নাটক

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১২ নভেম্বর ২০১৯, ১৮:৩১
ইন্ডেমনিটি,
বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারবর্গের হত্যাকারীদের দায় মুক্তি দিতে জিয়াউর রহমান সরকার করেছিলেন ইন্ডেমনিটি আইন। এই সমালোচিত আইন নিয়ে তৈরি হয়েছে নাটক ইন্ডেমনিটি। মান্নান হীরার রচনায় এ নাটক পরিচালনা করেছেন বরেণ্য অভিনেতা আজিজুল হাকিম। নাটকটি মঞ্চায়ন করছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আছেন সাবেক মন্ত্রী,অভিনেত্রী তারানা হালিম।

তারানা হালিম জানান, ‘ইন্ডেমনিটি নাটকটির প্রথম প্রদর্শনী হচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আজ ১২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায়। নাটকের দ্বিতীয় প্রদর্শনী হবে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ১৩ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় ও তৃতীয় প্রদর্শনী হবে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে ১৫ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায়।'

নাটকটিতে নির্দেশনার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজিজুল হাকিম। আরও রয়েছেন ফরিদা ছন্দা, জয়রাজ, আমান পারভেজ মুরাদ, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্যামল জাকারিয়া প্রমুখ।

জিয়াউর রহমানের শাসন আমলে পাশ হয় ইন্ডেমনিটি আইন । প্রথমে খন্দকার মোস্তাক আহমেদকে দিয়ে জিয়াউর রহমান এই অধ্যাদেশ জারি করান। এরপর এই আইন সংসদে পাশ করা হয়।

সামরিক শাসনের সময় জারি করা কোনও আইন কোনও ট্রাইব্যুনালে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না বলে পঞ্চম সংশোধনী এনে ওই আইনটিকে বৈধতা দেয়া হয়। এই আইনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়।

১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদে তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মানবতা ও সভ্যতাবিরোধী ‘ইন্ডেমনিটি অধ্যাদেশ’ আইনটি বাতিল করতে সেই সংসদের আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু ‘দি ইন্ডেমনিটি রিপিল অ্যাক্ট-১৯৯৬’ নামে একটি বিল উত্থাপন করেন।

অবশেষে ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল হয়। পরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হয়। সেই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই আজ ১২ নভেম্বর থেকে যাত্রা শুরু করল ‘ইন্ডেমনিটি’ নাটকটি।

আয়োজকরা জানান, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা অনেকেই শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন। তবে মেজর জিয়ার সরকার জাতির পিতার হত্যার বিচার না করে খুনিদের সরকারি ওপর মহলে ও বিদেশের দূতাবাসে চাকরির ব্যবস্থা করে। তারা অনেকে পালিয়ে যায় নানা দেশে। এখনও পালিয়ে আছে। জাতির পিতার খুনিদের মধ্যে এখনও পলাতক রয়েছে খন্দকার আবদুর রশিদ, এ এম রাশেদ চৌধুরী, শরিফুল হক ডালিম, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী, আবদুল মাজেদ ও রিসালদার মোসলেম উদ্দিন খান।

এম

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • বিনোদন এর সর্বশেষ
  • বিনোদন এর পাঠক প্রিয়