logo
  • ঢাকা রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

‘এটা আমার জন্য অনেক কষ্টের’

এ এইচ মুরাদ, আরটিভি অনলাইন
|  ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:১০ | আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২০:১৬
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রনায়ক রিয়াজ। দেশীয় চলচ্চিত্রের এই সফল নায়কের আবির্ভাব নব্বইয়ের দশকে। ক্যারিয়ার জুড়ে ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘প্রেমের তাজমহল’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘রং নাম্বার’সহ অসংখ্য দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন। গল্প নির্ভর চলচ্চিত্রেও দর্শক তাকে গ্রহণ করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন নায়ক রিয়াজ। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন তিনি। এদিকে নির্বাচনে চলচ্চিত্রের দুই জনপ্রিয় মুখ বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক (ঢাকা ১৭-নৌকা প্রতীক) এবং জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মাসুদ পারভেজ (নায়ক সোহেল রানা, বরিশাল ২- লাঙল প্রতীক) নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এই দুই মুক্তিযোদ্ধার প্রার্থী হওয়া ও নিজের রাজনৈতিক ভাবনা নিয়ে আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন নায়ক রিয়াজ। জানাচ্ছেন জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক এ এইচ মুরাদ।  

bestelectronics
এবারের নির্বাচনে চলচ্চিত্রের দুই জীবন্ত কিংবদন্তি নায়ক ফারুক এবং সোহেল রানা প্রার্থী হয়েছেন। এটি চলচ্চিত্রের জন্য কতটা সুবাতাস বলে আপনি মনে করেন?

এটা আমাদের জন্য চমৎকার একটি সুসংবাদ। এবার দলবল নির্বিশেষে আমাদের চলচ্চিত্রের মানুষদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। আমি একটা সুস্থ নির্বাচন আশা করছি। আশা করছি আমাদের মিয়া ভাই (নায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক) যাকে ঢাকা ১৭ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। এ কারণে আমি প্রধানমন্ত্রীকে (শেখ হাসিনা) ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি এবং আমাদের পারভেজ ভাই (নায়ক সোহেল রানা) আমি তার জন্যও শুভ কামনা জ্ঞাপন করছি। একজন শিল্পী হিসেবে আমি চাই আমাদের শিল্পীরা নির্বাচনে জিতে আসুক।

আপনিসহ অন্যান্য শিল্পীদের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা যাচ্ছে। কতদিন শিল্পীরা এই ক্যাম্পেইন চালাবে?

আমরা আগামী বাংলাদেশকে সামনে রেখে কাজটা করছি। দেশকে ভালোবেসে কাজটি করছি। আমি মনে করি ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণায় মাঠে থাকবো।

সঙ্গীত তারকা মনির খান এবারের নির্বাচনে বিএনপির হয়ে মনোনয়ন চেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাকে মনোনয়ন দেয়া না হলে দল থেকে পদত্যাগ করেন। বিষয়টি নিয়ে আপনাকে ফেসবুক স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।  এ নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?

শিল্পীরা জাতির ভবিষ্যৎ। শিল্পীরা সব সময় দলবল নির্বিশেষে দেশের মানুষের কথা বলে। শিল্পীদের মূল্যায়ন করা উচিত। সেই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের যে শক্তি কখনও কোনও শিল্পী যদি সেই শক্তির কাছে পরাজিত হয় এটা আমার জন্য অনেক কষ্টের। তিনি যে দলেরই হন না কেন শিল্পী সব সময়ই শিল্পী। একজন শিল্পী খুব সহজ সরলভাবে সব কিছু চিন্তা করে এবং কোনও শিল্পী যখন কোনও দলের হয়ে কাজ করে খুব আন্তরিকতা থেকে কাজ করেন বলে মনে করি আমি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে আমেরিকায় গিয়েছিলেন। ফেরার আগেই গুঞ্জন শোনা যায় এই নির্বাচনে আপনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হচ্ছেন। এবারের নির্বাচনে অনেক তারকা শিল্পী প্রার্থী হয়েছেন। আপনার কি ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ইচ্ছে আছে

সেটা আসলে ভবিষ্যৎই বলে দেবে। এখন বিষয়টি নিয়ে কথা না বলাই ভালো। এখন আমার জায়গা থেকে যে কাজটি করছি তা হলো একটি সমৃদ্ধ আত্মমর্যাদাশীল উন্নয়নের বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করছি। দলবল নির্বিশেষে আমরা মানুষের পক্ষে কাজ করছি বলে আমি বিশ্বাস করি। আর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা সেটা ভবিষ্যতের ব্যাপার। তার জন্য ভবিষ্যৎ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এম/এমকে  

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়