• ঢাকা সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪, ১০ আষাঢ় ১৪৩১
logo

কঙ্গনাকে চড় দেওয়া কে এই নারী নিরাপত্তাকর্মী

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি

  ০৮ জুন ২০২৪, ১৬:০০
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের নবনির্বাচিত বিজেপি-দলীয় এমপি ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াতের চড়কাণ্ডে সরগরম নেটদুনিয়া। ইতোমধ্যে এই ঘটনায় অভিযুক্ত সিআইএসএফের ওই নারী কনস্টেবল কুলবিন্দর কৌরকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি চাকরি থেকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

কঙ্গনাকে চড় দেওয়া কুলবিন্দরকে কেন্দ্র করে দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছেন নেটিজেনরা। কেউ তাকে সমর্থন করেছেন আবার কেউবা এই কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সামাজিত যোগাযোগমাধ্যমে কুলবিন্দরের ব্যক্তিজীবনের কথা জানতে বেশ আগ্রহী। কেন কঙ্গনাকে তিনি চড় মারলেন? সে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে।

পাঞ্জাবের সুলতানপুর লোধির বাসিন্দা কুলবিন্দর। ২০০৯ সালে সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সে (সিআইএসএফ) যোগ দেন তিনি। ২০২১ সালে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে বিমান নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিযুক্ত হন। তিন বছর ধরে সেখানেই কর্মরত আছেন ৩৫ বছর বয়সী এই নারী। তার স্বামী সিআইএসএফের একজন জওয়ান। তিনিও চণ্ডীগড় বিমানবন্দরেই কর্মরত। তাদের সংসারে আছে দুই সন্তান।

গত ৬ জুন ভোটে জয়ের পর অভিনেত্রী দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিতে চণ্ডীগড় এয়ারপোর্টে পৌঁছালে হঠাৎ কঙ্গনাকে চড় মেরে বসেন কনস্টেবল কুলবিন্দর।

জানা গেছে, সেখানে সিকিউরিটি চেকিংয়ের সময় কুলবিন্দরের সঙ্গে তর্কে জড়ালে কঙ্গনাকে চড় মারেন তিনি। অন্যদিকে কঙ্গনার সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তিও কুলবিন্দরকে পাল্টা চড় মারেন।

কঙ্গনাকে চড় মারার কারণ উল্লেখ করে কুলবিন্দর বলেন, কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ভারতীয় কৃষকরা ১৫ মাস আন্দোলন করেন। ওই সময়ে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য করেছিলেন কঙ্গনা। ১০০ টাকার বিনিময়ে আন্দোলন করতে বসেছেন কৃষকেরা। তার এমন মন্তব্যে কৃষকদের অপমান হয়েছে বলে মনে করেন কুলবিন্দর। কারণ তার মা-ও কৃষক আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন।

চড়কাণ্ডের এই ঘটনায় নেটিজেনদের প্রশ্ন— কর্তব্যরত অবস্থায় কোনো নিরাপত্তারক্ষী ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে একজন নারীর গায়ে কি হাত তুলতে পারেন?

এদিকে ভারতের শোবিজ অঙ্গন থেকে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অনেকেই। পাশাপাশি কঙ্গনার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রীর সমর্থনে কথাও বলেছেন। তার পাশে দাঁড়িয়েছেন রাভিনা ট্যান্ডন, দেবলীনা ভট্টাচার্যসহ কয়েকজন তারকা। ভারতের বাঙালি তারকারা মনে করেন, প্রতিবাদ করার বিভিন্ন ধরন আছে। কারও গায়ে হাত তুলে অপরাধের জবাব দেওয়া একেবারেই ঠিক নয়।

অন্যদিকে কুলবিন্দরের পাশে দাঁড়িয়েছেন সুরকার-গায়ক বিশাল দাদলানি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আশ্বাস দিয়েছেন— সিআইএসএফ কোনো ওই নারী কনস্টেবলের কড়া পদক্ষেপ নিলে অর্থাৎ তাকে বরখাস্ত করা হলে তার চাকরির ব্যবস্থা করে দেবেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে বিশাল জানান, ‘আমি কখনোই সহিংসতাকে সমর্থন করি না। কিন্তু সিআইএসএফ তাদের এই কর্মীর বিরুদ্ধে যদি কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ নেয়, তাহলে আমি এটা নিশ্চিত করছি যে, তার জন্য চাকরি অপেক্ষা করছে। যদি সে চাকরির প্রস্তাব গ্রহণ করে।’

মন্তব্য করুন

daraz
  • বিনোদন এর পাঠক প্রিয়
আরও পড়ুন
ভাইয়ের বিয়েতে কঙ্গনার বিশেষ উপহার
চড় খেয়ে সুর পাল্টালেন কঙ্গনা!
আলিয়ার পোস্ট ঘিরে রহস্য
কঙ্গনার পাশে দাঁড়ালেন হৃতিক