Mir cement
logo
  • ঢাকা বুধবার, ০৪ আগস্ট ২০২১, ২০ শ্রাবণ ১৪২৮

মসলার বাজারে ক্রেতাদের ভাটা, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

মসলার বাজারে ক্রেতাদের ভাটা, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত
ছবি: সংগৃহীত

কোরবানির মাংস রান্নার অপরিহার্য একটি অনুষঙ্গ মসলা। ফলে কোরবানির পশুর পাশাপাশি মসলার চাহিদাও বেড়ে যায় কয়েকগুন। ঈদের আগে থেকেই কম-বেশি মসলা কিনতে বাজারে ভীড় করেন ক্রেতারা।আবার কেউ কোরবানি উপলক্ষে সারা বছরের মসলা একসঙ্গে ক্রয় করে থাকেন। ফলে মসলা ব্যবসায়ীরা প্রতিবছর বেশ লাভ করে থাকেন।

প্রতি বছর পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মসলার বাজার থাকে সরগরম। ব্যবসায়ীরাও করে থাকেন রমরমা ব্যবস্থা। কিন্তু এবারের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। ক্রেতা শূন্য দেখা গেছে রাজধানীর বিভিন্ন মসলার বাজার।

অথচ এবারের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেশের বাজারে মসলার সরবরাহ বাড়লেও বাড়েনি বিক্রি। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল শপিংমল সহ দোকানপাট। তবে ঈদের আগে কয়েকদিনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের দোকানপাট। দোকানপাট খোলার সময়টা বিলম্বিত হওয়ায় অনেকে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে চলে গেছে ফলে মসলার মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় নেই বললেই চলে।

বিক্রেতারা বলছেন, সারা বছরের মধ্যে কোরবানিকে ঘিরেই বিভিন্ন ধরনের মসলা আমদানি করা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। লকডাউনের মধ্যে আমদানি বন্ধ না থাকায়, অনেক ব্যবসায়ীরা মসলা আমদানি করেছেন। কিন্তু মানুষের চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে স্বাভাবিক সময়ে এবার মসলা তেমন একটা বিক্রি হয়নি। কম চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় এবার মসলার দাম তুলনামূলক বেশ কম।

তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, গত কয়েকদিনে আদা-রসুনের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে মসলার দামও।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশি আদা অন্তত ১০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকায় এবং চীনা আদা অন্তত ২০ টাকা ২০০ টাকা বিক্রি হতে দেখা যায়। আর রসুন দেশি জাতের দাম কিছুটা কম থাকলেও আমদানি করা চীনা রসুন কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মসলা বাজারে খুচরা পর্যায়ে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, দারুচিনি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, লবঙ্গ এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ১০০ টাকা, এলাচি আড়াই হাজার টাকা থেকে দুই হাজার ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া শুকনো মরিচের কেজি ১৮০ থেকে ৩০০ টাকা, হলুদ ১৫০ থেকে ২৮০ টাকা, ধনে ১৪০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশ পাইকারি গরম মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. এনায়েত উল্লাহ বলেন, লকডাউন থাকায় মসলা তেমন বিক্রি হয়নি। তবে লকডাউন স্থগিত করার পর অল্প অল্প করে মসলা বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে এবার মসলার বাজারের অবস্থা ভালো যাচ্ছে না।

জেএইচ/এমএন

মন্তব্য করুন

RTV Drama
RTVPLUS