logo
  • ঢাকা রোববার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭

মোটরসাইকেল নিয়ে জটিলতা নিরসন অচিরেই

মোটরসাইকেল নিয়ে জটিলতা নিরসন অচিরেই

বিদেশ থেকে দেশীয় বাজারে উচ্চপ্রযুক্তির মোটরসাইকেল আমদানিতে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। এবার সেই জটিলতার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। ফলে পছন্দের মোটরসাইকেল কেনার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে সিকেডির (সম্পূর্ণ বিযুক্ত অবস্থা) সংজ্ঞায় সংশোধনী এনেছে। এতে বন্দরে যেসব ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের চালান আটকে আছে তা খালাস হবে।

দেশে এখন কিছু ব্র্যান্ডের উচ্চ প্রযুক্তির মোটরসাইকেল বিযুক্ত অবস্থায় আমদানি করে সংযোজন করা হয়। তবে সম্প্রতি সিকেডির সংজ্ঞা নিয়ে জটিলতায় বন্দরে মোটরসাইকেলের চালান আটকে যায়।

আমদানিকারকেরা জানিয়েছিলেন, ১৯৯৭ সালে সিকেডির সংজ্ঞা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এরপর প্রযুক্তি এখন অনেক বদলে গেছে। যেমন আগের সংজ্ঞায় মোটরসাইকেলের টায়ার ও টিউব আলাদাভাবে আমদানির কথা বলা আছে। কিন্তু বর্তমানে উচ্চ প্রযুক্তির মোটরসাইকেলের টায়ারে টিউবই থাকে না। আমদানিজনিত জটিলতায় দেশের বাজারে মোটরসাইকেলের সরবরাহে টান পড়েছিল। এখন কিছু কিছু ব্র্যান্ডের কাছে উচ্চ প্রযুক্তির মোটরসাইকেলের সরবরাহ নেই।

বাংলাদেশ মোটরসাইকেল অ্যাসেম্বেলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএএমএ) বিষয়টি নিয়ে গত ২২ নভেম্বর শিল্প মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি দেয়। এতে বলা হয়, ২৩ বছরে মোটরসাইকেল প্রযুক্তিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। ইলেকট্রনিক ফুয়েল ইনজেকশন, অ্যান্টি–লক ব্রেকিং সিস্টেম (এবিএস), এয়ার কুলিং সিস্টেম ইত্যাদি প্রযুক্তি যোগ হয়েছে। তাই সংজ্ঞা পরিবর্তন জরুরি।

এনবিআর গত ২৮ জানুয়ারি এক চিঠিতে সংজ্ঞা পরিবর্তনের বিষয়টি জানায়। একইসঙ্গে নতুন সংজ্ঞার আলোকে মোটরসাইকেলের সিকেডি হিসেবে আমদানি করা চালানগুলো খালাস করতে হবে।

সিকেডির সংজ্ঞা সংশোধনের বিষয়ে ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল বিপণনকারী এসিআই মোটরসের নির্বাহী পরিচালক সুব্রত রঞ্জন দাস গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশ মোটরসাইকেল অ্যাসেম্বেলার্স অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তোলার পর শিল্প মন্ত্রণালয় ও এনবিআর দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে। এখন বাজারে উচ্চপ্রযুক্তির মোটরসাইকেলের ঘাটতি দূর হবে।

এফএ

RTV Drama
RTVPLUS