ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

‘বিজিএমইএ সভাপতি শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেননি’

আরটিভি অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ০৬ জুন ২০২০, ০৮:৩৮ পিএম
শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেননি বিজিএমইএ সভাপতি

শ্রমিকদের ছাঁটাইয়ের বিষয়ে অবস্থান পরিবর্তন করে তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সমিতি বিজিএমইএ বলছে, সংগঠনের সভাপতি ড. রুবানা হক শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেননি।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বিজিএমইএ।

এতে বলা হয়, ৬ জুন ‘গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলন’এর ব্যানারে একটি সংবাদ সম্মেলনের প্রতি বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। বিজিএমইএ মনে করে, বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠভাবে উপস্থাপিত হয়নি। বিজিএমইএ সভাপতি শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেননি। সংগঠন হিসেবে এ ধরনের ঘোষণা দেয়ার কোনো সুযোগও নেই। বিজিএমইএ সভাপতি কর্মসংস্থান হ্রাস পাওয়া এবং সম্ভাব্য শ্রমিক ছাঁটাইয়ের বিষয়ে তার গভীর উদ্বেগ ও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সভায় রুবানা হক বলেছিলেন, বিশ্বব্যাপী পোশাকের চাহিদা কমে যাওয়ায় উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এ কারণে অনেক শ্রমিককে হয়তো চাকরি হারাতে হবে।

এই বক্তব্যের জের ধরে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজিএমইএ আজ এই বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।

সংগঠনটি বলছে, চলতি অর্থ বছরের প্রথম ৮ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) পোশাক শিল্পে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঋণাত্মক ১৪ শতাংশ, যা শিল্পে গত ৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি। গত ১ মে থেকে শিল্পে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঋণাত্মক ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ। আর চলতি বছরের মার্চ’ থেকে এ পর্যন্ত পোশাক শিল্পে ৩ বিলিয়ন ডলারেও অধিক ক্রয়াদেশ বাতিল হয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে পোশাক শিল্পের আন্তর্জাতিক বাজারগুলো কোভিড-১৯ এর প্রভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে। কোভিড-১৯ এর কারণে অনেক বড় বড় ক্রেতা দেউলিয়াত্বও বরণ করেছে।

বিজিএমইএ’র দাবি, চলমান পরিস্থিতিতে প্রকৃতপক্ষে কোনো কারখানাই সামর্থ্যের শতভাগ ব্যবহার করতে পারছে না। ৩৫ শতাংশ সক্ষমতায় কারখানা সচল রেখেছে, এমন ঘটনাও আছে। বড় কারখানাগুলোও ৬০ শতাংশের বেশি সক্ষমতা ব্যবহার করতে পারছে না।

বিজিএমইএ জানায়, ‘চলমান পরিস্থিতিতে, উদ্যোক্তারা টিকে থাকার লড়াইয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে বিজিএমইএ- এর সদস্যভুক্ত কারখানার মধ্যে ৩৪৮টি কারখানা বন্ধ হয়েছে শুধু গত ২ মাসেই। বাকি আছে আর মাত্র ১৯২৬টি কারখানা। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বাকি কারখানাগুলো হয়তো একে একে বন্ধ হয়ে যাবে অথবা কম ক্যাপাসিটিতে (পূর্ণ সামর্থ্য ব্যবহার ছাড়াই) টিকে থাকার চেষ্টা করবে দিন বদলের আশায়। এটাই বর্তমান বিশ্বের বাস্তবতা। আমরা সবাই দেখছি, বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোতেও কাজ ও শ্রমিক সংখ্যা বিপুলভাবে কমছে। আমরা শিল্প গড়ি কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য। আজকের এই বাস্তবতা আমাদের উদ্যোক্তাদের জন্যও নির্মম।’
পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
নতুন বছরের নতুন নিয়ম অনুযায়ী কোনো কোম্পানির শেয়ার পেতে আর লটারির দরকার হবে না। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওর জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার। তবে সেক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের আগে প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বাজারমূল্যে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে তথা সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে।  আজ বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। আগামী ১ এপ্রিল থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি জানিয়েছে, আইপিওতে বিদ্যমান লটারির পরিবর্তে আনুপাতিক হারে শেয়ার বরাদ্দ দেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে আইপিও আবেদনের ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক পরিমাণ অর্থ জমা দিতে হবে। ধরা যাক, একজন বিনিয়োগকারী কোনো একটি কোম্পানির আইপিও শেয়ারের জন্য আবেদন করবেন। প্রথমত, ওই বিনিয়োগকারীর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে অর্থাৎ সেকেন্ডারি বাজারে ন্যূনতম ২০ হাজার টাকা বিনিয়োগ থাকতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইপিও আবেদনের জন্য একজন বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বা তার গুণিতক ২০, ৩০, ৪০ হাজার টাকা করে চাঁদা জমা দিতে হবে। যেহেতু লটারি পদ্ধতি উঠে যাচ্ছে সেহেতু সব আবেদনকারী তার আবেদনের ভিত্তিতে শেয়ার বরাদ্দ পাবেন। এমকে
আইপিও’র জন্য আবেদন করলেই পাওয়া যাবে শেয়ার
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
বছরের শেষ দিন এবং নতুন বছরের প্রথম দুই দিন দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেন বন্ধ থাকবে। এ তিনদিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কোন লেনদেন হবে না। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ছিল চলতি বছরে দেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থায় লেনদেনের শেষ কার্যদিবস। তবে এ সময় গ্রাহক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম) থেকে কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন। অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবেন। ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংক হলিডে এবং ২০২১ সালের ১ ও ২ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার। ছুটির কারণে এ তিন দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ৩১ ডিসেম্বর চূড়ান্ত হিসাবের জন্য ব্যাংকগুলো খোলা থাকলেও কোনও ধরনের লেনদেন হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছরের শেষদিন ব্যাংক হলিডে থাকে। ওইদিন ব্যাংকগুলোর বার্ষিক হিসাব সম্পাদনের জন্য খোলা রাখা হলেও লেনদেন বন্ধ থাকে।  জিএম
টানা তিনদিন ব্যাংকে লেনদেন বন্ধ
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
রিটার্ন জমা দেয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার।  তবে আজ ব্যাংক বন্ধ। ফলে পে অর্ডার বা কর পরিশোধের কোনো কাজ করা যাবে না। অবশ্য গত মঙ্গলবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় করদাতারা যেন বুধবারই আয়করসংক্রান্ত কার্যক্রম সেরে ফেলেন।  করোনার জন্য এবার বিশেষ বিবেচনায় এক মাস সময় বাড়ানো হয়েছে। সেই সময়ও শেষ হচ্ছে আজ। বর্তমান আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিবছর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।   এবার অনলাইনে রিটার্ন জমার সুযোগ না থাকায় সবাইকে কর কার্যালয়ে নিজে গিয়ে বা কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন জমা দিতে হয়ে। অনলাইনে কর দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন শুধু কর অঞ্চল-৬–এর করদাতারা। এসএস
আজ রিটার্ন জমার শেষ দিন
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
দেশের বৃহত্তম রিটেইল চেইন শপ ‘স্বপ্ন’র নতুন আউটলেটের যাত্রা শুরু হলো ঢাকার লালবাগে। এটি ৫০ লালবাগ রোডে (লালবাগ কেল্লার প্রবেশ গেটের বিপরীতে) অবস্থিত। ৩০ ডিসেম্বর বিকেল ৪টায় নতুন এ আউটলেটের উদ্বোধন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘স্বপ্ন’র রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের ডিরেক্টর সামসুদ্দোহা শিমুল, ‘স্বপ্ন’ ফ্র্যাঞ্চাইজির হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মোহাম্মদ রাজিবুল হাসান, ব্যবসায়ী শামিমা হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নানসহ অনেকে। ‘স্বপ্ন’ এর রিটেইল এক্সপ্যানশন বিভাগের পরিচালক সামসুদ্দোহা শিমুল বলেন, আমরা আশা করছি, স্বাস্থ্যসম্মত এবং নিরাপদ পরিবেশে বাজার করার জন্য লালবাগের মানুষ স্বপ্ন’তে নিয়মিত বাজার করবেন। স্থানীয়দের চাহিদার কথা মাথায় রেখে পণ্য রাখা হয়েছে, আমাদের আউটেলেটে। আমরা তাদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং মূল্যায়নও আশা করব। গ্রাহকের চাহিদা ও সন্তুষ্টিকে সবসময় অগ্রাধিকার দেয় স্বপ্ন। এ ছাড়া গ্রাহকদের জন্য রয়েছে বিশেষ হোম ডেলিভারি সেবা। হোম ডেলিভারি নম্বর ০১৬৩০-৫১৩৮১৭। এম
‘স্বপ্ন’ এখন লালবাগে
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
করোনাভাইরাস মহামারীতেও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ছেই। এখন পর্যন্ত দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিসেম্বর মাসের ২৯ দিনে ১শ’ ৯১ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। আর এর ওপর ভর করেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার বা ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বেড়েছে। আজ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম ক‌রে‌ছে, যা আমা‌দের অর্থনৈতিক সক্ষমতার অন্যতম মাইলফলক। নতুন এক‌টি বছরের শুরু‌তে অবশ্যই জাতির জন্য এটি সুখকর ঘটনা। অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ এর মধ্যেও রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে রেমিট্যান্সের অন্তঃপ্রবাহ।’ বিষয়টিকে সরকারের ‘অভূতপূর্ব সাফল্য’ হিসেবে উল্লেখ করে এ অর্জনের জন্য প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষ লগ্নে দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ গত ১৫ ডিসেম্বর এ রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ডে উন্নীত হয়েছিল। এফএ
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয় বাড়ছে
আরও পড়ুন
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা, সম্পাদক ইলিয়াস
ঢাকা মহানগর হেফাজতের সভাপতি হাবিব, সম্পাদক মামুনুল হক
রাবিতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাংচুরে জড়িতদের বিচার দাবি
রাজশাহীতে ছাত্র শিবিরের ছয় কর্মী আটক