logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

বিবিএসকে পরিকল্পনামন্ত্রী

কাজ করলেন বাংলায়, লিখলেন বাংলায়, ছাপলেন ইংরেজিতে!

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৫৪
ছবি সংগৃহীত
আপনারা কাজ করলেন বাংলায়, ছাপালেন ইংরেজিতে। কিন্তু বেশি প্রয়োজন বাংলায় করা। এতে যাদের জন্য প্রতিবেদন করা হয়েছে তারা সহজে বুঝতে পারবে। বললেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিবিএসের‘তাঁত শুমারি ২০১৮’-এর প্রাথমিক প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় বিবিএস কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি প্রতিবেদন বাংলায় প্রকাশের পরামর্শ দেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিবিএস ভবনে এ অনুষ্ঠান হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, বিবিএসের মহাপরিচালক ড. কৃষ্ণা গায়েন। তাঁত শুরমারির প্রতিবেদটি ‘ PRELIMINARY REPORT HANDLOOM CENSUS 2018’ শিরোনামে ইংরেজিতে বই আকারে প্রকাশ করা হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন,‘আপনারা মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কররেন বাংলায়, লিখলেন বাংলায়, কিন্তু ছাপলেন ইংরেজিতে।  কিন্তু বেশি প্রয়োজন বাংলা। এতে সবাই বুঝবে, তাঁতীরাও সহজে বুঝবে। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজিও করা যায় কিন্তু বাংলাটা বেশি প্রয়োজন। এটা নিয়ে বোধহয় চিন্তা করা দরকার।’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত  ২৮ বছরের ব্যবধানে সাত লাখ ২৫ হাজার ৬৫০ জন তাঁতি কমেছে। আর এই সময়ে তাঁত ইউনিটের সংখ্যা কমেছে ৯৬ হাজার ৪১৫টি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম এ মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান তাঁতশিল্পসহ আমাদের যে পণ্য আছে এসব যেন আরও উন্নয়ন করি। তিনি এগুলোর জন্য গবেষণা করতে বলেন।

এম এ মান্নান বলেন, যেটা আমি এখানে শুনলাম, তাঁত বোধহয় ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে। এটা কোনো আবেগের বিষয় নয়, এটা রুক্ষ্ম বাস্তবতা। সংকুচিত হবেই। যান্ত্রিকীকরণের ফলে এটা হচ্ছে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী বলেন, তাঁতশিল্পের বিকাশের জন্য একনেকে একটা তাঁত পল্লী করার জন্য প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। পদ্মার পাড়ে হবে এ পল্লী। এ শিল্প রক্ষা করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম এ পেশা ধরে রেখেছে।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিবিএস মহাপরিচালক ড. কৃষ্ণা গায়েন। তিনিও প্রতিবেদন বাংলায় হওয়া দরকার বলে মত দেন। বলেন, ‘তাঁত শুমারির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এই খাতের বর্তমান অবস্থার মূল্যায়ন করা, কার্যকর ও অকার্যকর তাঁতখানা সনাক্ত করা ও তাঁত শিল্পের উন্নয়ন করা।

এস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়