• ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৭ ফাল্গুন ১৪২৫

রিজার্ভ চুরির অর্থ আনতে মার্কিন ল ফার্মের সঙ্গে চুক্তি: বিএফআইইউ

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৪৩ | আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২০:৫৬
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির অর্থ ফিরিয়ে আনতে মামলাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে এ পর্যন্ত তিন কোটি টাকা খরচ হয়েছে। মামলা পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ল ফার্মের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ঘণ্টা হিসাবে অর্থ পরিশোধ করা হবে।

জানালেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান আবু হেনা মোহাম্মদ রাজি হাসান।

রোববার বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকে রিজার্ভ চুরির মামলার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএফআইইউ প্রধান এসব তথ্য জানান।

বিএফআইইউর প্রধান বলেন, মামলার বিষয়ে একটি টিম কাজ করছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ল ফার্মের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে। তাদের ঘণ্টা হিসাবে অর্থ পরিশোধ করা হবে। তবে ঘণ্টায় কি পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত রিজার্ভ চুরি মামলা করতে গিয়ে তিন কোটি টাকার মতো খরচ হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে রাজি হাসান বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসারে মামলা করা হয়েছে। এখানে খরচ মুখ্য বিষয় নয়। আমাদের লক্ষ্য চুরি হওয়া পুরো অর্থ ফেরত আনা।

এ বিষয়ে আইনজীবী আজমাউল হোসেন জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে দায়ের করা মামলা তিন বছরের মধ্যে সমাধান হবে। তবে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে এ সময় কমতে বা বাড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইর্য়কের (ফেড) সঙ্গে মামলার বিষয়ে চুক্তি হয়েছে। তারা মামলার জন্য বিভিন্ন নথি, তথ্য সরবরাহসহ সাক্ষী দেবে।

১০৩ পৃষ্ঠার মামলায় ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ ৭টি প্রতিষ্ঠানসহ ২৫ জন অজ্ঞাতনামা লোককে বিবাদী করা হয়েছে বলেও জানান তিনি ।

এর আগে বাংলাদেশ সময় গত শুক্রবার রিজার্ভ চুরির অর্থ ফিরিয়ে আনাসহ ক্ষতিপূরণের দাবিতে দোষীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে মামলা করে বাংলাদেশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অজ্ঞাতপরিচয় হ্যাকাররা ভুয়া ট্রান্সফার ব্যবহার করে নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ থেকে সুইফটের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লক্ষ ডলার অর্থ হাতিয়ে নেয়।

এর মধ্যে দুই কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কা এবং ৮ কোটি ১০ লক্ষ ডলার চলে যায় ফিলিপিনের জুয়ার আসরে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঐ ঘটনাকে এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাংক চুরির একটি বলে ধরা হয়।

আরো পড়ুন:

আর/এমকে

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়