logo
  • ঢাকা সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১১ ফাল্গুন ১৪২৬

শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগ

নাটোর প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন
|  ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:৪৪ | আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ১৮:৫৯
নাটোরে স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগ
নাটোরে স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগ
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মাঝগ্রামে আনিসুর রহমান নামে এক স্কুলশিক্ষকের বিরুদ্ধে মোবাইলে ডেকে নিয়ে এক শিক্ষার্থীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে থানায় যেতে না দিয়ে চাপের মুখে মীমাংসার নামে বাবার বাড়ি যেতে বাধ্য করেছেন স্থানীয় মাতব্বররা। 

জানা গেছে, অভিযুক্ত আনিসুর রহমান মাঝগ্রামের সাদেকুর রহমান মুন্সীর ছেলে। তিনি মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন। 

আরও জানা যায়, গেল ৬ জানুয়ারি আনিসুর রহমান ওই মহিলাকে ছেলের লেখাপড়া বিষয়ে কথা বলার জন্য মোবাইলে এক প্রতিবেশীর বাড়িতে ডেকে নেন। পরে সেখানে বাড়ির সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে আনিস তাকে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। এ সময় প্রতিবেশীরা তার চিৎকারে এগিয়ে এসে আনিসকে হাতেনাতে আটক করেন। কিন্তু খবর পেয়ে আনিসের স্বজনেরা এসে হুমকি ধমকি দিয়ে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান। পরের দিন ওই নারীর বাবাকে খবর দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে স্থানীয় গ্রামের মাতব্বররা বিষয়টি মীমাংসা করেন। একই সঙ্গে তাদেরকে থানায় গেলে অমঙ্গল হবে জানিয়ে ওই নারীকে তার বাবার সঙ্গে গ্রাম থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন। 

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আনিস পলাতক থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। 

এ বিষয়ে মাঝগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুস্তম আলী মোল্লার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আনিস শারীরিক অসুস্থতার কারণে ছুটিতে আছেন। তবে তিনি একটানা কয়দিন ছুটি পেতে পারেন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জব্বার বলেন, এটি পারিবারিকভাবে মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া ওই মহিলাকে সবার সঙ্গে মিলে চলার স্বার্থেই মামলা না করাসহ কিছুদিন বাবার বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে। 

তবে ধর্ষণের শিকার ওই নারীর স্বামী অভিযোগ করেন, ‘জব্বার মেম্বার আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন দুদিনে মধ্যে মীমাংসা করবে। তবে দুইদিন পার হলেও মীমাংসা করছে না। থানায় না যাওয়ার জন্য ভয় দেখাচ্ছে। আমরা গরিব মানুষ বলে থানায় যেতে ভয় পাচ্ছি।’

এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ওসি দিলীপ কুমার দাস বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তাছাড়া কোনও অভিযোগও পাইনি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়