logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

শান্তিচুক্তির ২২ বছর (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:৩৬ | আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:৫০
পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২২ বছর পূর্তি আজ। তবে এই দীর্ঘ সময়ে তিন পার্বত্য জেলায় পরিস্থিতির কতটুকু উন্নতি হয়েছে তা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও বাঙালি সংগঠনগুলোর মধ্যে। চুক্তির ফলে অবহেলিত জনপদের জীবনমানে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগলেও, কেউ কেউ বলছেন এখনো পরিপূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়নি পাহাড়ে। 

পার্বত্য অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সশস্ত্র শান্তি বাহিনীর সঙ্গে শান্তি চুক্তি করে আওয়ামী লীগ সরকার। দীর্ঘ পথচলায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, শিক্ষার প্রসার, কর্মসংস্থান সৃষ্ট, বিদ্যুৎ সরবরাহ, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ কোনও দিক দিয়েই পিছিয়ে নেই, এক সময় অন্ধকারে ডুবে থাকা এই জনপদ। তারপরও কোথাও যেন একটা অতৃপ্তি থেকেই গেছে এখানকার মানুষের কাছে।

শান্তি চুক্তির মাধ্যমে পাহাড়ে সব জনগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করেন সংসদ সদস্য দীপংকর তালুকদার।

শান্তি চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন না হলে সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে বলে মনে করেন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মানুষগুলো।

তবে পার্বত্য জেলাগুলোর উন্নয়নে শান্তি চুক্তিকে মূল চালিকা শক্তি হিসেবে দেখা হলেও, সব ধারা বাস্তবায়িত না হওয়ায় অসন্তোষ রয়েছে চুক্তিতে স্বাক্ষরকারীদের মাঝেও।

গতকাল রোববার (১ ডিসেম্বর) আয়োজিত এক সম্মেলনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির শীর্ষ নেতা জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা অভিযোগ করে বলেন, সরকার চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন করেনি। পাহাড়ে এখনও অস্ত্রবাজি, খুন, অপহরণ ও চাঁদাবাজি হচ্ছে। আর এর প্রধান শিকার হচ্ছে পাহাড়ের সাধারণ অধিবাসীরা।

সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় পার্বত্যাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি আসবে এমনদিনের স্বপ্ন দেখেন এখানকার মানুষ।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়