logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬

২৭ দিনের সন্তান রেখে ডেঙ্গুতে মায়ের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ
|  ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:২৮ | আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৪০
২৭ দিনের সন্তান রেখে ডেঙ্গুতে মার মৃত্যু
২৭ দিনের সন্তান রেখে ডেঙ্গুতে মার মৃত্যু
২৭ দিনের শিশু সন্তান রেখে মানিকগঞ্জের মমতাজ চক্ষু হাসপাতালের নার্স চামেলী বেগম (২৮) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন। 

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে ঢাকার মগবাজার এলাকার রাশমনি নামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। 

চামেলী মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার দক্ষিণ শালজানা গ্রামে মৃত মোহন খানের মেয়ে।   

চামেলীর বড় ভাই মো. আনোয়ার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আনোয়ার হোসেন জানান, তার বোনকে প্রাথমিকভাবে শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে পরীক্ষা করে ডেঙ্গু ধরা পড়লে তাকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ৫ দিন থাকার পর মঙ্গলবার তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে ঢাকার মগবাজারের রাশমনি নামের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে লাইভ সাপোর্টে রাখা হয়। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চামেলী মারা যান।

চামেলীর বড় ভাই আনোয়ার আরও জানান, একবছর আগে মানিকগঞ্জর সদর উপজেলা দিঘী ইউনিয়নের রৌহাদহ গ্রামের সবুজের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। মৃত্যু আগ পর্যন্ত তিনি মানিকগঞ্জের মমতাজ চক্ষু হাসপাতালে নার্সিং অফিসার হিসেবে চাকরি করতেন। তার কোলে ২৭ দিন বয়সী এক ছেলে সন্তান ছিল।

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মানবেন্দ্র সরকার জানান, ওই রোগী গেল ২৯ আগস্ট দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। তার অবস্থা অবনতি হওয়ায় মঙ্গলবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।

উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত মানিকগঞ্জের ৫ জন ব্যক্তি মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করার পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ প্রাইভেট হাসপাতালে মারা যান। এছাড়া মানিকগঞ্জের মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন মারা যান।  

আজ (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন এক হাজার ২শ’ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। এর মধ্যে শতাধিক রোগী ঢাকায় স্থানান্তর হয়ে চিকিৎসা নেন এবং অন্যরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন স্থানে ৪০ জন ডেঙ্গু  আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়