logo
  • ঢাকা বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬

হিলিতে শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

হিলি প্রতিনিধি
|  ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:১১ | আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:১৬
টাকা আত্মসাত
দিনাজপুরের হিলিতে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাসুদুল হাসানের বিরুদ্ধে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে রুটিন মেইনটেনেন্স এর ৪০ হাজার টাকা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে। উত্তোলনের পর দুই মাস অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত অফিসে কোনো কাজ করা হয়নি। এ নিয়ে শিক্ষক মহলে চলছে সমালোচনার ঝড়।

জানা গেছে, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর সাব কম্পোনেন্ট মেইনটেনেন্স কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দ্বিতীয় পর্যায়ে উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসের রুটিন মেইনটেনেন্স এর ব্যয় নির্বাহকল্পে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (বাজেট) শেখ মো. রায়হান উদ্দিন স্বাক্ষরিত স্মারক নং ৩৮.১৫০.১৮০. ০২৬.০০.০০.৪৬.২০১৮-১০৩১ এর মাধ্যমে হাকিমপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসের রুটিন মেইনটেনেন্সের জন্য ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। বরাদ্দের টাকা পাওয়ার পর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাসুদুল হাসান কোনো প্রকার কাজ না করেই রুটিন মেইনটেনেন্স এর ৪০ হাজার টাকা অর্থ ব্যয়ের শর্তাবলী লঙ্ঘন করে ভুয়া ভাউচার মূলে উত্তোলন করেছেন।

হাকিমপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করা হলে সিনিয়র সহকারী শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদ বলেন, রুটিন মেইনটেনেন্সের টাকা এসেছে কিনা তা আমি কিছুই জানি না। তবে রুটিন মেইনটেনেন্সের কোনো কাজ করা হয়নি। এ বিষয়ে শিক্ষা অফিসার মাসুদুল হাসান জানেন।

অফিস সহকারী শহিদুল ইসলাম জানান, রুটিন মেইনটেনেন্সের ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং ওই টাকা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ২৩ জুন ভাউচারে খরচ দেখিয়ে উত্তোলন করেছেন। তবে দুই মাসেও রুটিন মেইনটেনেন্সের কোনো কাজ করা হয়নি।

এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০১৯ এ নিম্নমানের পুরস্কার দিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে রোববার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাসুদুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা উত্তোলন করার কথা স্বীকার করলেও বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়