spark
logo
  • ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২০, ২৮ আষাঢ় ১৪২৭

করোনা আপডেট

  •     গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু ৩০ জন, আক্রান্ত ২৬৮৬ জন, সুস্থ হয়েছেন ১৬২৮ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

রোহিঙ্গা কন্যা উপহার পেল এক কেজি সোনা ও ৪৫ লাখ টাকা!

টেকনাফ প্রতিনিধি
|  ৩১ আগস্ট ২০১৯, ১৭:৪৫ | আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৯, ১৭:৫৫
কক্সবাজার, রোহিঙ্গা, স্বর্ণ
টেকনাফের দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত নুর মোহাম্মদের কিশোরী কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া গেছে এক কেজি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪৫ লাখ টাকা।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ গতকাল শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি জানিয়ে নিশ্চিত করেছেন।এ ঘটনার পর কয়েক দফা অভিযান চালানো হয় রোহিঙ্গা ডাকাত নূর মোহাম্মদকে ধরতে। কিন্তু তিনি তার বাহিনী নিয়ে টেকনাফের গহীন পাহাড়ে লুকিয়ে আছেন। ফলে ধরা যায়নি।
ওসি বলেন, ‘কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে এ রকম উপহারসামগ্রী পাওয়ার বিষয়টি এলাকাবাসীও জানে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, গত ২২ আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দিন নুর মোহাম্মদ তার কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। গরু-ছাগল জবাই করে আয়োজন করা হয় ভোজ অনুষ্ঠানের। আমন্ত্রিতদের সবাই রোহিঙ্গা ডাকাত, সন্ত্রাসী ও ইয়াবা কারবারি। 

তিনি আরও জানান, ১৯৯২ সালে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ হ্নীলা ইউনিয়নের নয় নম্বর ওয়ার্ডের জাদিমুরা এলাকায় প্রথমে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। ধীরে ধীরে সেখানে জমি কিনে ঘর-বাড়ির মালিক হয়ে যান। এপারে আশ্রয় নেওয়ার পর ওপারের রোহিঙ্গাদের নিয়ে সীমান্তে গড়ে তোলে বিশাল ডাকাত বাহিনী।

এই ডাকাত বাহিনী অপহরণ, ডাকাতি, ছিনতাই, মানবপাচারসহ সীমান্তে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়ে। আর দুই বছর আগে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা ঢলের পর নুর মোহাম্মদ ডাকাতের প্রতাপ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এলাকার পাঁচ-ছয়টি রোহিঙ্গা শিবির, টেকনাফের বিস্তৃত পাহাড়, সীমান্তের নাফ নদ ও নাফ নদের ওপারে রাখাইনের অভ্যন্তরে থাকা ইয়াবা কারখানা ও গবাদি পশুর বাজার নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা। এসব অপকর্ম করে বাহিনীর সদস্যরা কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যায়। 

ওসি প্রদীপ কুমার দাশ আরও জানান, নুর মোহাম্মদ ডাকাত সর্দার হওয়ার কারণে ভোজের দাওয়াতে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী, ডাকাত ও ইয়াবা কারবারিরা অংশ নেয়। তার ভোজ অনুষ্ঠান থেকে গিয়েই ওইদিন রাতে তুচ্ছ ঘটনার জেরে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা স্থানীয় যুবলীগ নেতা ওমর ফারুককে খুন করে।  

তিনি আরও জানান, রোহিঙ্গা নুর মোহাম্মদ এর চারটি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি পাকা ভবন, একটি দোতলা টাওয়ার, একটি টিনের ঘর, অন্যটি বাগানবাড়ি।

ডাকাত নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, ডাকাতি, অপহরণসহ মামলা রয়েছে। তিনি একজন মোস্ট ওয়ানটেড আসামি।

জেবি/পি

RTVPLUS
corona
দেশ আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ১৮১১২৯ ৮৮০৩৪ ২৩০৫
বিশ্ব ১২৬৪৫৬৫৫ ৭৩৮১৪০৮ ৫৬৩২৫১
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়
  • দেশজুড়ে এর সর্বশেষ
  • দেশজুড়ে এর পাঠক প্রিয়