logo
  • ঢাকা শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬

যুবলীগ নেতা হত্যায় ২ রোহিঙ্গা আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

টেকনাফ প্রতিনিধি
|  ২৪ আগস্ট ২০১৯, ১১:২০ | আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৯, ১২:০৪
বন্দুকযুদ্ধ
টেকনাফে যুবলীগ নেতা হত্যার ২ আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক হত্যায় অভিযুক্ত দুই রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। 

শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দিনগত রাত ২টার দিকে হ্নীলা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে গেলে পুলিশের সঙ্গে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। 

নিহতরা হলেন- মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার মংডুর সব্বির আহমেদের ছেলে মুহাম্মদ শাহ ও একই জেলার রাসিদং থানা এলাকার সিলখালির আবদুল আজিজের ছেলে আবদু শুক্কুর। তারা উভয়ে বর্তমানে টেকনাফের হ্নীলার জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা।  

বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল হতে দুটি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ৯টি শটগানের তাজা কার্তুজ ও ১২ রাউন্ড কার্তুজের খোসা পাওয়া যায় বলে জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। 

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে হ্নীলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি ফারুকে হত্যা করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়। মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামিরা জাদিমুড়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করছে এমন সংবাদে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রাশেল আহমদ শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে অভিযানে যান। ঘটনাস্থলে  পৌঁছালে আসামিরা পুলিশের উপস্থিত টের পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি করতে থাকে। এসময় তাদের ছোরা গুলিতে পুলিশের এসআই মনসুর, এএসআই জামাল ও কনস্টেবল লিটন গুলিবিদ্ধ হন। জীবন ও সরকারি মালামাল রক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা ৪০ রাউন্ড গুলি করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে পাহাড়ের গভীরের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফারুক হত্যা মামলার আসামি মুহাম্মদ শাহ ও আবদু শুক্কুরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। তবে সদর হাসপাতালে পৌঁছালে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে দুটি এলজি (আগ্নেয়াস্ত্র), ৯টি শটগানের তাজা কার্তুজ ও ১২ রাউন্ড কার্তুজের খোসাও উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের জন্য তাদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।  

উল্লেখ্য, গেল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমুরা এলাকার আব্দুল মুনাফ সওদাগরের ছেলে ও হ্নীলা ইউনিয়ন যুবলীগের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি এবং জাদিমুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ওমর ফারুককে (২৪) জাদিমুরা এলাকায় একদল রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী তুলে নিয়ে গুলি করে পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। পরে এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এতে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও বেশ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এসএস

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়