logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬

আজ দিনাজপুরের ইয়াসমিন ট্রাজেডি দিবস (ভিডিও)

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট
|  ২৪ আগস্ট ২০১৯, ০৫:৫৯ | আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১:২০
আজ ২৪ আগস্ট ইয়াসমিন ট্রাজেডি দিবস। ১৯৯৫ সালের এই দিনে দিনাজপুরে কিছু বিপথগামী পুলিশের হাতে তরুণী ইয়াসমিন পৈশাচিকভাবে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। তারপরই প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে দিনাজপুরের মানুষ।

ওই দিন জনতার ওপর গুলি চালিয়ে ৭ জনকে হত্যা করে পুলিশ। আহত হয় আরও শতাধিক মানুষ। এরপর থেকেই ২৪ আগস্ট দেশব্যাপী নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে।

১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট ভোরে ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওগামী নৈশ কোচের সুপারভাইজার ইয়াসমিনকে দিনাজপুরের দশমাইল মোড়ে এক চায়ের দোকানের সামনে নামিয়ে দেয়। এসময় টহল পুলিশের একটি দল ইয়াসমিনকে দিনাজপুর শহরে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে পিকআপ ভ্যানে তুলে নিয়ে পথেই ইয়াসমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রেখে চলে যায়।

ঘটনা ফাঁস হয়ে গেলে পুলিশের বিচারের দাবীতে দিনাজপুরের সর্বস্তরের মানুষ প্রতিবাদ-বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ২৭ আগস্ট জনতার বিক্ষোভে ওপর গুলি চালিয়ে সামু, সিরাজ ও কাদেরসহ ৭ জনকে হত্যা করে পুলিশ। আহত হয় শতাধিক মানুষ।

এই ঘটনায় ১৯৯৭ সালের ৩১ আগস্ট রংপুরে বিশেষ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক পুলিশের এএসআই ময়নুল হোসেন, কনস্টেবল আব্দুস সাত্তার ও অমৃতলালকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে তাদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

ইয়াসমিনের মা বললেন, তিনি তার মেয়ের হত্যার বিচার পেয়েছেন। কিন্তু নারীর প্রতি নির্যাতন তো বন্ধ হয়নি। এখনও অহরহ মায়ের কোল খালি হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে নারী নির্যাতন বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে নারী নেত্রীরা বলছেন, প্রত্যেক ধর্ষিতার ন্যায় বিচার পাওয়ার অধিকারকে নিশ্চিত করা মধ্য দিয়ে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ প্রতিরোধ সম্ভব। 

বর্তমানে নারী ধর্ষণ কলঙ্কজনক অবস্থায় পৌঁছেছে উল্লেখ করে ইয়াসমিন হত্যা ঘটনায় আন্দোলনের সূত্রপাতকারী তৎকালীন জাগপা নেতা বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জনশীল গোপাল বলেন, এর বিরুদ্ধে সার্বিকভাবে একটা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার।

ডি/

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়