logo
  • ঢাকা সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬

স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার দুই আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

ভোলা প্রতিনিধি
|  ১৪ আগস্ট ২০১৯, ১০:২১ | আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৯, ১২:২০
বন্দুকযুদ্ধ, নিহত, হত্যা
ভোলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামি নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকার নদীর তীর সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ভোলা সদর উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ আহম্মেদের ছেলে আল আমিন (২৫) ও কামাল মিস্ত্রির ছেলে মঞ্জুর আলম (৩০)।

ভোলা মডেল থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শিখর বলেন, মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে রাজাপুর ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ রাজাপুর এলাকায় স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার আসামিদের ধরতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে পুলিশ। এতে স্কুলছাত্রী গণধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামি আল আমিন ও মঞ্জুর আলম নিহত হন। তাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ঈদের আগের দিন ভোলা সদর উপজেলায় প্রতিবেশী আত্মীয়ের বাড়িতে মেহেদি দিয়ে হাত রাঙাতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী। 

এদিন রাত আটটার দিকে উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের চর সিফলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রীকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনার পর ধর্ষক আল আমিন ও মঞ্জুর আলম পালিয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও তার বোন  রোববার রাত আটটার দিকে দুঃসম্পর্কের আত্মীয় মাহফুজের স্ত্রীর কাছে মেহেদি নিয়ে হাত রাঙাতে যায়। ওই সময় আগে থেকে অপেক্ষমান মাহফুজের ঘরের ভাড়াটিয়া ভোলা আদালতের মুহুরি আল আমিন কিশোরীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় আলামিনের স্ত্রী ঘরে ছিল না। এই সুযোগে আল আমিন ও তার সহযোগী মঞ্জুরুল আলম কিশোরীর হাত-পা ও মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ধর্ষিতার পরিবারের সদস্যরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।  

জেবি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়