logo
  • ঢাকা সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

শরীয়তপুরে চিকিৎসক লাঞ্ছিত

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
|  ২২ জুলাই ২০১৯, ০৯:০৪
চিকিৎসক, আহত, শরীয়তপুর
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত ডা: সুমন পোদ্দার
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা: সুমন পোদ্দারকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লাঞ্ছিত করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে হাসপাতালের চিকিৎসকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আহত ডাঃ সুমন কুমার পোদ্দার হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

bestelectronics
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, কোনও লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেনি। সুমনের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে সে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, জেলার আইনশৃঙ্খলা সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে ডা: সুমন পোদ্দারের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ উত্তাপন করেন। এ বিষয়ে গতকাল রোববার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে সুমন অনল কুমারকে ফোন করে কথা বলতে চান। অনল কুমার দে ডা: সুমনকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সবুজ দত্তের দোকানে যেতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর ডা: সুমন পোদ্দারের সঙ্গে অনল কুমার দের কথা কাটাকাটি হয়।

ডা: সুমন কুমার পোদ্দারের অভিযোগ, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অনল কুমার দে তার দিকে একটি পানির গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং তাকে গলা টিপে ধরেন। এ সময় অনল কুমার দের সঙ্গে থাকা ছাত্রলীগের সাবেক দুই থেকে তিনজন নেতা তাকে মারধর করেন।

একপর্যায়ে তাকে মারতে মারতে দোকানের বাইরে  রাস্তায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। পরে স্থানীয় লোকজন ডা: সুমনকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। বর্তমানে ডাঃ সুমন পোদ্দার শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

ডাঃ সুমন কুমার পোদ্দারের বড় ভাই রঘুনাথ পোদ্দার বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সবুজ দত্ত, জাহাঙ্গীর ও ডালিম মিলে আমার ভাইকে মারধর করেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে বলেন, ডা: সুমনের সঙ্গে আমার কোনও মারামারির ঘটনা ঘটেনি। সুমন  উত্তেজিত হয়ে আসলে আমি তাকে হাত দিয়ে সরিয়ে দিয়েছি।  এরপর শুধু কথা কাটাকাটি হয়েছে। এর বেশি কিছু নয়। এরপর সুমনের বড় ভাই রঘুনাথ পোদ্দার আমার সঙ্গে উত্তেজিত হয়ে কথা বলে।

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন ডাঃ খলিলুর রহমান আরটিভি অনলাইনকে বলেন, একটি সার্টিফিকেট নিয়ে বিরোধের জের ধরে সুমন পোদ্দারকে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে মারধর করেছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে আমাদের এখনও অনল কুমার দের সঙ্গে কথা হয়নি।

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম উদ্দিন আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমরা হামলার কথা শুনেছি। এখনও কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেবি

bestelectronics bestelectronics
  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়