logo
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬

শিশুর মস্তক নিয়ে হরিজনপল্লীতে মদ খেতে গিয়েছিল সেই যুবক

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
|  ১৯ জুলাই ২০১৯, ১২:১৪ | আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯, ১২:২৩
মস্তক, শিশু, নেত্রকোনা
নেত্রকোনায় গলা কেটে শিশুর মস্তক ছিন্নকারী যুবক রবিন গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার আগে শহরের বারহাট্টা রোড এলাকার হরিজনপল্লীতে মদ খেতে গিয়েছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ থানায় এনে তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। যুবকের মোবাইল ফোন থেকে তথ্য উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার শহরের নিউটাউন এলাকার অনন্তপুকুরপাড়ে ব্যাগের মধ্যে শিশুর ছিন্ন মস্তক পাওয়ার পর গণপিটুনিতে ওই যুবক নিহত হন।

নিহত শিশুটি নেত্রকোনা সদর উপজেলার আমতলা গ্রামের রিকশাচালক রইছ উদ্দিনের ছেলে। রইছ উদ্দিন বর্তমানে শহরের কাটলি এলাকায় হিরণ মিয়া নামে এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকেন।

গণপিটুনিতে নিহত যুবক শহরের কাটলি এলাকার একলাছ উদ্দিনের ছেলে। সে পেশায় রিকশাচালক। তার নাম রবিন (২২)। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা তিনজনের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহজাহান মিয়া  জানান, বেলা সাড়ে ১২টার  দিকে শহরের বারহাট্টা রোড এলাকার হরিজনপল্লীতে রবিন একটি ব্যাগ হাতে মদ খেতে যায়। সেখানে এক ঘরে মদ না পেয়ে অন্য ঘরে যাওয়ার সময় ব্যাগ থেকে রক্ত পড়তে দেখেন হরিজনপল্লীর লোকজন। তখন জিজ্ঞেস করলে সে সঠিক জবাব দিতে না পারায় ব্যাগ খুলে শিশুর মস্তক দেখতে পান স্থানীয়রা।

এ সময় সে মস্তক নিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। স্থানীয়রাও তার পিছু ধাওয়া করে নিউটাউন এলাকার অনন্তপুকুরপাড়ে তাকে ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে পুলিশ নিহত শিশু সজিবের দেহ কাটলি এলাকার নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলা থেকে উদ্ধার করে। পুলিশ  শিশুর ছিন্ন মস্তক, দেহ ও যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, যুবক রবিনের ব্যবহার করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে জব্দকৃত মোবাইল ফোন থেকে তথ্য উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।থানায় পৃথক দুটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে গণপিটুনিতে যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জেবি/পি

  • সর্বশেষ
  • পাঠক প্রিয়